যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজ সোমবারই দায়িত্ব নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত নভেম্বরের ভোটে জেতার পর নানা ইস্যুতেই আলোচনায় আছেন তিনি। ট্রাম্প নিজে যেমন বলেছেন তেমনি বিশ্লেষকরাও বলেছেন, এ মেয়াদে ট্রাম্প বাইডেন প্রশাসনের নেওয়া অনেক সিদ্ধান্তই বদলে দেবেন। বড় বদল আসতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতেও। এর মধ্যে খবর এলো ‘ট্রাম্প’ নামের মিম ক্রিপ্টোমুদ্রা চালু করেছেন তিনি। এরই মধ্যে এই ট্রাম্প ক্রিপ্টোমুদ্রার বাজার মূলধন দ্রুত কয়েকশ কোটি ডলারে পৌঁছেছে বলেও এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে বিবিসি।
বিবিসি বলছে, ক্রিপ্টোমুদ্রাটি চালুর উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের সহযোগী সিআইসি ডিজিটাল এলএলসির সমন্বয়ে। এর আগে ট্রাম্প-ব্র্যান্ডেড জুতা ও সুগন্ধি বিক্রি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ‘সিআইসি ডিজিটাল এলএলসি’ ও ‘ফাইট ফাইট এলএলসি’ মিলে এ মাসের শুরুতে ‘ডেলাওয়্যার’ নামে একটি কোম্পানি গঠন করে। ট্রাম্প ক্রিপ্টোমুদ্রার ৮০ শতাংশের মালিক এ কোম্পানিটি। তবে এ উদ্যোগ থেকে ট্রাম্প নিজে কত টাকা আয় করতে পারবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
মিম কয়েনের ঘোষণা দেওয়ার সময় নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প লেখেন, আমার নতুন অফিশিয়াল ট্রাম্প মিম এখানে! আমরা যা চাই তা উদযাপন করার সময় এসেছে জয়!
কয়েনমার্কেটক্যাপডটকম-এর তথ্য বলছে, শনিবার বিকেল নাগাদ ট্রাম্প মুদ্রার বাজার মূলধন পৌঁছেছে প্রায় ৫৫০ কোটি ডলারে।
ক্রিপ্টোমুদ্রার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, প্রায় ২০ কোটি ডিজিটাল টোকেন ইস্যু করেছে তারা এবং আগামী তিন বছরে আরও ৮০ কোটি টোকেন ছাড়বে কোম্পানিটি।
ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন, এ শিল্পকে চাঙ্গা করবে ট্রাম্প প্রশাসন। এদিকে ক্রিপ্টোমুদ্রার জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের অধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো। কারণ বিভিন্ন ক্রিপ্টো কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করে ডিজিটাল মুদ্রার বিনিময়কে দমন করেছেন তারা।
এর আগে ট্রাম্পও ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে খামখেয়ালি ছিলেন। তবে গত বছর ন্যাশভিলের এক বিটকয়েন সম্মেলনে তিনি বলেছেন, আমি ওয়াশিংটনে ফিরে আসার পর আমেরিকা হবে বিশ্বের ক্রিপ্টো রাজধানী। তার ছেলে এরিক ও ডোনাল্ড জুনিয়র গত বছর নিজেদের নিজস্ব ক্রিপ্টো উদ্যোগ ঘোষণা করেছিলেন বলে লিখেছে বিবিসি।
