ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে শুল্কছাড়সহ সরকরের নানা উদ্যোগ ভোক্তার কোনো কাজে আসেনি। উল্টো ৫৮-৬০ টাকার নিচে কোনো চাল মিলছে না। মুনাফালোভী একশ্রেণির ব্যবসায়ী শুল্কছাড়ের পুরো সুবিধা নিয়েও দামের কারসাজি করছেন। শর্তের জালে আটকে রেখেছেন ভোজ্য তেলের বাজার।
বাজার ঘুরে ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাজারে সবজি ছাড়া আর কোনো ভোগ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সরকার নানা পণ্যের শুল্কছাড় দিলেও তা ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছায় না অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্যের কারণে। উল্টো পকেট কাটার নতুন নতুন উপায় নিয়ে হাজির হন করপোরেট ব্যবসায়ীরা। চড়া দামের বিক্রি হওয়া চালের পাশাপাশি ভোজ্য তেল বিক্রিতে কোম্পানিগুলোর শর্তের জালের আটকে আছে দেশের মানুষ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর কৃষি মার্কেট, উত্তর বাড্ডা কাঁচাবাজার ও মহাখালী বাজার ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া যায়। দেশের মানুষের খাদ্যের প্রধান অনুষঙ্গ চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে আসা শুল্কছাড়ের চাল বাজারে দামের কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। উল্টো চড়া দামে নিম্নমানের প্রতি কেজি চাল কিনতে হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকায়। পাশাপশি ব্রি-২৮, স্বর্ণা ও পাইজাম জাতের চালের দাম কমার কথা থাকলেও এখনো চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতি কেজি বিআর-২৮ জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়, গুটি স্বর্ণা চাল কিনতে ক্রেতাদের খরচ করতে হচ্ছে ৫৫ থেকে ৫৮ টাকা। এ ছাড়া বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি পুরনো আটাশ ৬৫, পাইজাম ৬০, কাটারিভোগ ৮৫, বাসমতী ৯৪ থেকে ৯৮, পোলাওয়ের চাল ১২০ থেকে ১২৫ ও আমন ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের চাটখালি রাইস এজেন্সির স্বত্বাধিকারী মো. বেলাল হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, গেল কয়েক মাস থেকেই চালের দাম বাড়তি। সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানি করলেও বাজারে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। উল্টো দেশি চালের দামে বিক্রি হচ্ছে আমদানি করা চাল।
মাস্কাট থেকে আসা ঢাকাগামী উড়োজাহাজ চট্টগ্রামে অবতরণ
সব বিভাগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বৈঠক আজ