খুবি শিক্ষার্থী হত্যা

তিনটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করছে পুলিশ

  • জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ জন পুলিশ হেফাজতে
  • সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মামলা হয়নি
আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২৫, ০৭:৪৯ পিএম

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থী অর্ণব কুমার সরকার (২৮) হত্যাকাণ্ডে নারীঘটিত ইস্যু, বাবার ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কোনো গ্রুপের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে কিনা এই ৩ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। তবে শনিবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি।

সোনাডাঙ্গা থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, অর্ণব হত্যার ঘটনায় শনিবার দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে রাতে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হতে পারে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, হত্যাকাণ্ডের পেছনে নারীঘটিত ইস্যু, বাবার ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কোন গ্রুপের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। অভিযানও চলছে।

এদিকে, খুলনা নগরীর বানরগাতি এলাকায় ইসলাম কমিশনার মোড়ে তার বাড়ি। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে অর্ণব কুমার সরকারের বাড়িতে গিয়ে মা চণ্ডি রানীর পাশাপাশি বাবা নিতিশ কুমার সরকার ও ছোট ভাই অনীক কুমার সরকারকেও বিলাপ করতে দেখা যায়। তাদের ঘিরে রেখেছেন পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা।

অর্ণবকে হারিয়ে সবাই যেন নির্বাক। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে অর্ণবের লাশ বেলা পৌনে ১টার দিকে প্রথমে তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে গল্লামারী শ্মশানঘাটে নিয়ে সৎকার করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত সোয়া ৯টার দিকে খুলনা নগরীর শেখপাড়া তেঁতুলতলা মোড়ে একটি মোটরসাইকেলে হেলান দিয়ে অর্ণব চা পান করছিলেন। এ সময় ১০-১৫টি মোটরসাইকেলে লোকজন এসে প্রথমে তাকে গুলি করে। গুলি তার গায়ে লাগার পর রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে সন্ত্রাসীরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পার্শ্ববর্তী খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অর্ণব খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের মাস্টার্সের ছাত্র। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত