তুরাগ তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টের নির্দেশ 

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:৪৯ পিএম

তুরাগ নদের তীরে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। আর এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ৪ মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

তিনি জানান, আদালত আদেশের পাশাপাশি আরও কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। সেগুলো হলো- ১. আগামী চার মাসের মধ্যে বিচারিক অনুসন্ধানের প্রতিবেদন অনুসারে অবৈধ দখলদারদের অপসারণ করে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে ২. আগামী ছয় মাসের মধ্যে ডিজিটাল ডাটাবেজ প্রণয়নের ক্ষেত্রে এসপিএ, আরআর, এসও স্যাটেলাইটের সাহায্যে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের সকল নদ নদী খাল বিল জলাশয়ের ভৌগোলিক অবস্থান নির্ণয়সহ জীববৈচিত্র্য বিষয়ক তথ্য সংগ্রহ করে সব ইউনিয়ন উপজেলা এবং জেলার ম্যাপ প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সব নাগরিকের জন্য উন্মুক্ত স্থানে বিলবোর্ড আকারে প্রদর্শন করবে ৩.  নদী কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদারের প্রস্তুত করা অবৈধ দখলদারদের তালিকা হালনাগাদ করে ছয় মাসের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে হবে। 

অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, তুরাগ নদীর তীরবর্তী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে জনস্বার্থে ২০১৬ সালে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত বিচারিক অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে তীরবর্তী অবৈধ স্থাপনার তালিকা আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেয়। পরবর্তীতে গাজীপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রায় ৩০টি ব্যক্তিগত ও শিল্প- প্রতিষ্ঠান দখলদারদের নাম উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন।

এ রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট এক রায়ে নদীগুলোকে ‘জীবন্ত সত্ত্বা’ উল্লেখ করে নদী রক্ষায় ১৭ দফা নির্দেশনা দিয়ে মামলাটি চলমান (কন্টিনেওয়াস ম্যান্ডামাস) রাখে। তবে,  রায়ের কয়েক বছর অতিক্রান্ত হলেও রায় বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিষয়টি আদালতে তোলা হয়। নিজস্ব প্রতিবেদক

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত