অভিষেকে ৯০ বলে সেঞ্চুরি

আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:২৭ এএম

ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের পর বিশাখাপত্তনমে ভারতের বিপক্ষে এক টি-টোয়েন্টিতে ৪৭ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান জশ ইংলিস। কিন্তু ২০২৪-এর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তবুও তাকে খেলায়নি অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকরা। এবার শ্রীলঙ্কায় টেস্ট সফরে হঠাৎ করে লাল বলের দলে জায়গা দেন তারা ইংলিসকে। কনস্টাসকে বাদ দিয়ে গল টেস্টে অভিষেকেরও সুযোগ দেন। কাল নিয়মিত উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারির আগে খেলতে নেমে ৯০ বলে সেঞ্চুরি করে ইংলিস জানান দিয়েছেন, যেকোনো ফরম্যাটেই খেলার যোগ্যতা রাখেন তিনি।

৫৮টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার পর ২৯ বছর বয়সে টেস্ট অভিষেকের উপলক্ষটা রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে রাঙালেন ইংলিস। ৯০ বলে সেঞ্চুরি টেস্ট অভিষেকে দ্বিতীয় দ্রুততম।

২০১৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মোহালিতে অভিষেকে ৮৫ বলে সেঞ্চুরি করে চূড়ায় আছেন ভারতের শিখর ধাওয়ান। ২০০৪ সালে কেপ টাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অভিষেকে ৯৩ বলে সেঞ্চুরি করা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডোয়াইন স্মিথ নেমে গেছেন এখন তালিকার তিন নম্বরে। একশর কম বলে অভিষেকে সেঞ্চুরি আছে আর শুধু একজনের। ২০১৮ সালে রাজকোটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৯৯ বলে তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন ভারতের পৃথ্বী শ।

একটি জায়গায় অবশ্য ইংলিস ছাড়িয়ে গেছেন সবাইকে। ১০ চার ও এক ছক্কায় ৯৪ বলে ১০২ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। স্ট্রাইকরেট ১০৮.৫১। টেস্ট অভিষেকে সেঞ্চুরি করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ স্ট্রাইকরেটের ইনিংস এটিই।

এই ইনিংসের পথে চতুর্থ উইকেটে উসমান খাওয়াজার সঙ্গে ১৪৬ রানের জুটি গড়েন তিনি। ওপেনার খাওয়াজা করেন ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি (৫০৩ মিনিটে ২৩২)। আর অধিনায়ক স্টিভ স্মিথের সেঞ্চুরিতে (১৪১) ৬ উইকেটে ৬৫৪ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া, যা এশিয়ায় তাদের সর্বোচ্চ ইনিংস।

১৫৪ ওভার ফিল্ডিংয়ে থাকার পর ব্যাট করতে নেমে ১৫ ওভারে ৪৪ রান তুলতে ৩ উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত