উদ্যোক্তা গড়ার লক্ষ্য সামনে রেখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘কুহেলিকা উৎসব ১৪৩১’-এর আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন ‘অভয়ারণ্য’র উদ্যোগে বটতলায় এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। গতকাল রোববার শেষ হচ্ছে তিন দিনব্যাপী এই উৎসব। এর আগে গত ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম ও দ্বিতীয় দিনের মতো অনুষ্ঠিত হয় ‘কুহেলিকা উৎসব ১৪৩১’।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দিশারি বুক হাউজ, আপ্যায়ন, পাটের ঝুড়ি চায়ের কুড়ি, গয়নার বাক্স, হৃদয়হরণ আপ্যায়ন, চন্দ্রমাধুরী, পৌষাল, পেটুক পয়েন্ট, শখের ঝুপড়ি, সাজপসরা, শথকথা, রসনার স্টেশন, পেদা টিংটিং, চিকেন চিনি চমক, পাঁচফোড়ন, পুষ্টি প্লাস, পিঠা যাবে পেটুক বাড়ি, স্টাইল ক্যানভাস, চায়ের দুনিয়া, কুটুম বাড়ি, বুক ভিলেজসহ বিভিন্ন ধরনের প্রায় ৪০টি স্টল দেওয়া হয় উৎসবে। যেখানে বাঙালি সংস্কৃতির বৈচিত্র্য রূপ ফুটে ওঠে।
কুহেলিকা উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের পিঠার পসরা সাজিয়েছেন। অনেকেই বাহারি পিঠার স্বাদ নিতে এসেছেন উৎসবস্থলে। কেউ আগ্রহ নিয়ে দেখছেন হরেক রকমের বই, গহনা ও পোশাক। কেউ আবার প্রিয়জনকে চিঠি দিতে ব্যস্ত।
নানা ধরনের পিঠার মধ্যে ছিল সুইচ রোল পুলি, সুজির মালাই চাপ, ম্যারা পিঠা, নারকেলপুলি, দুধচিতই, ভাপা পিঠা, ফুলঝুরি পিঠা, সেমাই পিঠা, গোলাপ পিঠা, ডালের পিঠা, পুডিং, দুধ মালাই রিং, দুধ সন্দেশ, নারকেল চমচম, তেলের পিঠা, নারকেল পাকন ও পাটিসাপ্টা।
