স্বর্ণালংকার তৈরি করা নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে বরগুনা পৌর শহরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন স্বামী। গত রবিবার রাত ৮টার দিকে শহরের কলেজ রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মৌলভীবাজারে সাত বছর বয়সী এক শিশু খুন হয়েছে। শিশুটির বাবা তাকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বরগুনার পৌর শহরের কলেজ রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন গৃহবধূ আসমা আক্তার (৩০) ও তার স্বামী আবুল কালাম (৪০)। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে।
নিহত গৃহবধূ আসমার মেয়ে রাকা জানান, স্বর্ণের রুলি বানানোকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে তার বাবা-মায়ের মধ্যে তর্কাতর্কি চলে আসছিল। তার বাবা রবিবার বিকেলে কোমলপানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে তার মাকে কুপিয়ে হত্যা করতে পারেন।
বরগুনা সদর থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, রাত ৮টার দিকে থানায় গিয়ে আবুল কালাম স্ত্রীকে হত্যার কথা বলেন। কালামের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গতকাল সোমবার বাড়ির পাশের খাল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়।
মৌলভীবাজারে বাবার হাতে মাহিদ নামে সাত বছর বয়সী এক পুত্র খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত রবিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ মাহিদের বাবা খোকন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।
প্রতিবেশী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার বিকেলে খোকনের দ্বিতীয় ঘরের সন্তান মাহিদ বিছানায় মলত্যাগ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ঘরের বাইরে এনে বেধড়ক পেটাতে থাকে খোকন। একপর্যায়ে মাহিদ পালিয়ে প্রতিবেশী যবেদা খাতুনের ঘরে আশ্রয় নিলে তাকে ধরে এনে ওপর থেকে মাটিতে ছুড়ে মারেন। এরপর মাহিদের দুই পা ধরে পাকা খুঁটির সঙ্গে আঘাত করলে তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরতে শুরু থাকে। পরে খোকন মাহিদকে মৌলভীবাজার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশ নিয়ে খোকন নিজ ঘরে রেখে সটকে পড়েন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার জেলগেট এলাকা থেকে পুলিশ খোকনকে আটক করে।
মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি গাজী মো. মাহবুবুর রহমান গতকাল সোমবার দুপুরে দেশ রূপান্তরকে জানান, অভিযান চালিয়ে খোকনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে খোকন ঘটনার সঙ্গে জড়িত।
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা সদরের বদনপুর গ্রামের মাসুদ হাসান রঞ্জু (২৬) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত রবিবার রাতে গ্রামের ভুট্টাক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে ওই গ্রামের আজিজুল মীরের ছেলে।
দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, রঞ্জুর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের ক্ষত রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
