হিমাগারের ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজশাহীতে রাস্তায় আলু ফেলে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন কৃষকেরা। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পবা উপজেলার বায়া এলাকায় এই কর্মসূচি শুরু করেন তারা। এ সময় কৃষকরা বলেন, প্রতি কেজি আলু সংক্ষণের জন্য আগে ৪ টাকা ভাড়া দিতে হতো তাদের। সম্প্রতি তা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা করে কোল্ড স্টোরেজের মালিকেরা।
চাষীরা জানান, আগে প্রতিবস্তা আলু রাখতে ২৫৫ টাকা ভাড়া লাগতো। তা বাড়িয়ে ৫৬০ টাকা করা হয়েছে। হঠাৎ করে হিমাগার ভাড়া দ্বিগুণ করায় লোকসানে পড়বে তারা। এর আগে কৃষকদের আন্দোলনের মুখে কোল্ড স্টোরের মালিক পক্ষ ভাড়া বৃদ্ধি কমানোর আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন করছে না। দফায় দফায় আবেদন জানিয়েও ভাড়া কমানোর দাবি পূরণ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে আবারও অন্দোলনে নেমেছে চাষীরা।
এ সময় কৃষকরা রাস্তায় আলু ফেলে প্রতিবাদ করেন। আন্দোলনরত কৃষকরা বলেন, আলু সংক্ষণের ভাড়া কমানো না হলে তারা এই অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবার ঘোষণা দেন তারা। পাশাপাশি মহাসড়ক অবরোধসহ কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন কৃষকেরা। প্রতিবাদ বিক্ষোভ শেষে রাজশাহীর নওগাঁ সড়কে থেকে আলু ফেলে বিক্ষোভ করে কৃষকরা।
বিক্ষোভ চলাকালে কৃষকরা ওই এলাকায় পথসভা করেন। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল হক মিলন। তিনি বলেন, ‘হিমাগার মালিকেরা সিন্ডিকেট করে আলু সংরক্ষণের ভাড়া বৃদ্ধি করেছেন। এ ভাড়া কার্যকর হলে বাজারে আলুর দাম বাড়বে। এটি হতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, ‘কৃষকের ওপর বুলডোজার চালিয়ে কাউকে ভাড়া বৃদ্ধি করতে দেওয়া হবে না। হিমাগার মালিকদের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে।’
রাজশাহী কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান বলেন, ভাড়া কেন্দ্রীয়ভাবেই নির্ধারণ হয়। এবারও সেটাই হয়েছে। ৫০ কেজির বস্তার ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য আমরা এবার কেজি হিসেবে গিয়েছি। কারণ, বেশি ওজনের বস্তা টানা হিমাগারের শ্রমিকদের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা কেজি হিসেবে গেলেও এটা বলছি না যে, ৮ টাকাই দিতে হবে। হিমাগার মালিকেরা যে যার সক্ষমতা অনুযায়ী এ ব্যাপারে ছাড় দেবে।
আগামী নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে: দুলু
আবারও সংসার ভাঙলো হৃদয় খানের