গাজা পুনর্গঠনে মিসরের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে আরব দেশগুলো

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০২৫, ০৬:০৯ এএম

গাজা পুনর্গঠনে মিসরের দেওয়া বিকল্প প্রস্তাব গ্রহণ করেছে আরব দেশগুলো। মঙ্গলবার কায়রোতে অনুষ্ঠিত জরুরি শীর্ষ সম্মেলনে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়। ট্রাম্পের গাজা দখল পরিকল্পনার প্রতিক্রিয়ায় মিসরের রাজধানীতে আরব লিগের জরুরি সম্মেলন ডাকা হয়। সম্মেলনে যোগ দেন আরব লিগের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর শীর্ষ নেতারা। এই সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল গাজা উপত্যকার ভবিষৎ নির্ধারণ। গৃহীত ওই প্রস্তাবটি গাজা নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিকল্প হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজা উপত্যকার পুনর্গঠনে ৫৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে।

ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পর, ফিলিস্তিনিদের জর্ডান ও মিসরে স্থানান্তর করে গাজাকে পর্যটনবান্ধব অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর আরব উপসাগরীয় ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলো তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন ট্রাম্প। মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসি বলেছেন, কায়রোতে আয়োজিত সম্মেলনে আরব নেতারা তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। তবে গাজার শাসনভার কার কাঁধে বর্তাবে এবং এই পুনর্গঠনের অর্থায়ন কীভাবে হবে সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। মিসরের প্রেসিডেন্ট বলেন, ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে আলোচনা করে স্বাধীন ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি পরিষদ গঠন করা হবে।

এ ছাড়া ফিলিস্তিনি কর্র্তৃপক্ষের (পিএ) হাতে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সাময়িক সময়ের জন্য মানবিক সহায়তার তদারকি এবং উপত্যকাটির বিভিন্ন বিষয় দেখভাল করবে এই কমিটি। মিসরের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। সংগঠনটি এখন গাজার শাসনব্যবস্থায় রয়েছে। মিসরের পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ট্রাম্পের উচিত এমন পরিকল্পনায় সমর্থন দেওয়া, যেখানে লাখ লাখ মানুষকে উচ্ছেদের প্রয়োজন হয় না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত