ইউনূস বোলে ভারতে ঢোল

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৩:১০ এএম

ভিমরুলের চাকে ঢিল মারার মতো ঘটনা। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসের বক্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে, ভারতের রাজনৈতিক মহলে। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা এই মন্তব্যকে চিহ্নিত করেছেন ‘আক্রমণাত্মক’ বলে। কংগ্রেসের পবন খেরা বলেছেন, ‘বিপজ্জনক’। ত্রিপুরার মহারাজা ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল তিপ্রা মোথার নেতা প্রদ্যোৎ মাণিক্য তো বাংলাদেশ থেকে চট্টগ্রামকে আলাদা করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিই  দিয়ে বসেছেন। ড. ইউনূস কি ভারতের সেভেন সিস্টার্স নিয়ে আক্রমণাত্মক কিছু বলেছেন? কিন্তু ভাইরালের তোড়ে সেটির প্রচার-প্রসার বেশ হাই ভলিউমে। চীন সফরের সময় দেশটির রাষ্ট্রপ্রধানসহ নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সাক্ষাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি ভৌগোলিক নানা ইস্যুতে কিছু কথা বলেছেন। সেখানে ভারতের ৭টি রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তুলে ধরেন। ইংরেজিতে দেওয়া বক্তব্যে বলেছিলেন, “ভারতের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে পরিচিত সাতটি রাজ্য সম্পূর্ণরূপে ল্যান্ডলকড (স্থলবেষ্টিত) অঞ্চল। সমুদ্রের কাছে পৌঁছানোর কোনো উপায় নেই তাদের। এই অঞ্চলের জন্য আমরাই সমুদ্রের একমাত্র অভিভাবক।”

বাণিজ্যের জন্য এটি একটি বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে আশাবাদ ব্যক্ত করে ড. ইউনূস বলেছেন, ‘এটি চীনা অর্থনীতির একটি সম্প্রসারণও হতে পারে। পণ্য তৈরি করা, উৎপাদন করা, বিপণন করা এবং তা আবার চীনে নিয়ে যাওয়া এবং বাকি বিশে^ তা ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ হতে পারে এখানে।’ প্রচারিত ভিডিওতে মোটাদাগে বলা হয়েছে : ‘উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য স্থলবেষ্টিত অঞ্চল। তাদের সমুদ্রে পৌঁছনোর কোনো উপায় নেই। এই অঞ্চলে আমরাই (বাংলাদেশ) সমুদ্রের দেখভাল করি। এটি চীনা অর্থনীতির জন্য বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে।’ ড. ইউনূসের এ বক্তব্য ভারতের না-পছন্দ। তাই  তীব্র প্রতিক্রিয়া। ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মুখর হয়ে উঠেছে সমালোচনায়। ভারতের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল কংগ্রেস দাবি করেছে, ভারতকে ঘেরাও করতে বাংলাদেশ আদতে চীনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, যা ভারতের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।  ইউনূসের বক্তব্য প্রসঙ্গে ত্রিপুরার রাজনৈতিক দল তিপ্রা মোথার নেতা প্রদ্যোৎ মাণিক্য বলেন, ১৯৪৭ সালে চট্টগ্রাম বন্দরটি ছেড়ে দেওয়া ভারতের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। এক সময় চট্টগ্রাম শাসন করত এই আদিবাসীরাই। পাহাড়ি জনগণ ভারতের অংশই হতে চেয়েছিলেন। এখন আদিবাসীদের সমর্থন নিয়ে সমুদ্রে যাওয়ার পথ তৈরি করার সময় এসেছে ভারতের।

ভারত প্রসঙ্গে ড. ইউনূসের বক্তব্য মূলত, যত না মন্তব্য তার চেয়ে বেশি তথ্য। উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য যে স্থলবেষ্টিত, তা কে না জানে! কিন্তু ভারত এ তথ্য শুনতেও নারাজ। তাই তেলেবেগুনে জ¦লে ওঠা। তাদের কাছে এই বক্তব্য আপত্তিকর এবং তীব্র নিন্দনীয়! এ তথ্যের মাঝে ‘চিকেনস নেক’ করিডরের কারণে ভারতের যে দুর্বলতা, সেটির কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে ভাবনা তাদের। এই দুর্বলতাকে এড়াতে চিকেনস নেক করিডরের নিচে এবং আশপাশে মজবুত রেল ও সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার দাবি জানান আসামের মুখ্যমন্ত্রী। ড. ইউনূসের বক্তব্য ইস্যুতে ভারতীয় পররাষ্ট্রনীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন কংগ্রেসের মিডিয়া এবং প্রচার বিভাগের প্রধান পবন খেরা। তিনি বলেছেন, আমাদের পররাষ্ট্র নীতি এতটাই করুণ অবস্থায় পৌঁছেছে, যে দেশটির সৃষ্টিতে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, সেই দেশটিও আজ আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। মোট কথা বাংলাদেশকে এখন ভারতের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি ভাবছেন দেশটির নেতারা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে ড. ইউনূসের বক্তব্যটি। এ নিয়ে বয়ান-ব্যাখ্যা চলছে ইচ্ছামতো। ভারতের নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে রাজনীতিক মহল এবং সংবাদমাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তারা বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার এমন বক্তব্যে রীতিমতো হতভম্ব। ভারতের শীর্ষ পর্যায়ের কেউ এটিকে হুমকি হিসেবে দেখছেন, কেউবা এমন বক্তব্যে অবাক হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সঞ্জীব সান্যাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘ভারতের সাতটি রাজ্য ল্যান্ডলকড হওয়ার তাৎপর্য আসলে কী?’ তিনি ড. ইউনূসের বক্তব্য শেয়ার দিয়ে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের তথাকথিত গণতান্ত্রিক অভ্যুত্থান সর্বদাই ভারতের বিরুদ্ধে আক্রমণ ছিল।’ বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রি  দেশটির সংবাদমাধ্যম এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টার এই মন্তব্যকে ‘অবাক করা’ বলে অভিহিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ড. ইউনূসের এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার কোনো অধিকারই নেই।’ সতর্ক করে বীণা সিক্রি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ উত্তর-পূর্ব ভারতকে সংযোগের অধিকার দিতে আগ্রহী না হলে বিনিময়ে তারা নদী তীরবর্তী অধিকার আশা করতে পারে না।’

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ প্রফুল্ল বকশি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যকে চরম হুমকি হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেছেন, ‘ভারত বাংলাদেশ তৈরি করেছে এবং এটি করার সময়  কোনো মানচিত্রগত সুবিধা গ্রহণ করেনি।’ বকশি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ, চীন ও পাকিস্তান উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ রুট শিলিগুড়ি করিডরকে কাজে লাগিয়ে ভারতকে গলা টিপে মারার উপায় নিয়ে আলোচনা করছে। ক্ষেদ-ক্ষোভ ভারতীয় প্রচারমাধ্যমেও। চীন ইউনূসকে হায়ার করে নিয়ে এসব কথা বলিয়েছে, ইউনূস উত্তর-পূর্ব ভারতকে উসকানি দিতে চীনকে আমন্ত্রণ করছেন  এমন প্রচারণাও বাদ নেই। ভারতের কোনো কোনো গণমাধ্যম বলছে, চীনে গিয়ে তিনি তাদের অর্থনীতি ‘সম্প্রসারণের’ পরামর্শ দেন। আর ঢাকায় বসে অপেক্ষা করেন আইএমএফের। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফের আধিকারীকরা বাংলাদেশ সফর করবেন এ মাসেই। জুন মাসে দুই কিস্তির ঋণ পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ। ইউনূসকে ‘ভিক্ষা বাটি’ নিয়ে ঘুরতে হবে এমন মন্তব্য করতেও ছাড়ছে না ভারতের প্রচার মাধ্যম।

যে প্রেক্ষাপটেই হোক ইউনূস এখন দেশের চালকের আসনে। পুরোদস্তুর রাষ্ট্রনায়ক। তাকে যেন ভিক্ষার বাটি নিয়ে ঘুরতে না হয়, ভারত বা কোনো দেশ যেন বাংলাদেশকে পেয়ে না বসে, সেই পথও তাকে বের করতে হবে। দূরদৃষ্টি এবং দূরদর্শিতা না থাকলেও সরকারপ্রধান হওয়া যায়, স্টেটসম্যান হওয়া যায় না। রাজনীতিবিদ নির্বাচিত হতে বা ক্ষমতা অর্জনের জন্য যেকোনো কিছু বলতে বা করতে প্রস্তুত থাকতে হয়। কিন্তু একজন রাষ্ট্রনায়ক তা পারেন না। রাষ্ট্রনায়ক  হলেন এমন একজন ব্যক্তি, যিনি তার দেশের জনগণের সাধারণ কল্যাণের জন্য সবকিছু করেন। একজন ব্যক্তিকে তখনই রাষ্ট্রনায়ক বলা হয়, যখন সেই ব্যক্তির সততার নিদর্শন হন এবং কাজকর্মের জন্য উচ্চ সম্মানের প্রতীক হয়ে ওঠেন। নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ভিন্নভাবে চিত্রায়িত করার হেন অপচেষ্টা নেই, যা না করেছেন স্বয়ং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চকলেট খাইয়ে নোবেল আনা, সুদখোর, মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি ইত্যাদি বলে গালাগালি দেওয়া হতো নিয়মিত। ৫ আগস্ট গণআন্দোলনে বিজয়ের সময় তিনি দেশেও ছিলেন না। ৮ আগস্ট বাংলাদেশের অন্তর্র্বর্তী সরকারপ্র্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস সরকার চালানোর ব্যাপারে তার অনভিজ্ঞতার কথা অকপটে স্বীকার করেছেন।

বাংলাদেশ আয়তনের বিবেচনায় ছোট হলেও তুচ্ছ নয়। জনসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বে অষ্টম স্থানে রয়েছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলভুক্ত এ দেশের ভৌগোলিক ও কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। সব পরাশক্তি এবং আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রেখে চলা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। এ জন্য দরকার ধৈর্য ও স্থিরতা। ড. ইউনূস এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে পরিণত চিন্তার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। এটি বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুতদের কাছে অসহ্য, ভারতের কাছে যন্ত্রণার। সেই দৃষ্টে ভারত সরকার, রাজনীতিক, গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একাট্টা। ড. ইউনূস যেভাবে নেপাল, ভুটান, সেভেনে সিস্টার্স, বাংলাদেশ এবং বঙ্গোপসাগরের ভবিষ্যৎ দেখেছেন ভারতকে তা ভয় জাগাবেই। নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদী ও পানি ব্যবস্থাপনার জন্য বেইজিংয়ের কাছ থেকে ৫০ বছরের মহাপরিকল্পনা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের সমস্যা কেবল একটি নদী নিয়ে নয় বরং সামগ্রিক নদী ব্যবস্থাপনায়। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুদেশের ভৌগোলিক অখ-তার প্রতি সমর্থনের কথা দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে, এক চীন নীতির প্রতি সমর্থনের কথা ব্যক্ত করে তাইওয়ানকে চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ব্যাপারে চীনের অঙ্গীকারের কথা বলা হয়। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল প্রকাশের পর থেকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি স্বাধীন ও উন্মুক্ত, সংযুক্ত, সমৃদ্ধ, নিরাপদ এবং স্থিতিস্থাপক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সময়ে বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে এ ধরনের অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলো। এতে ভারতের রাজনৈতিক মহলে তার বিষয়ে অস্বস্তি ও প্রতিক্রিয়ায় আরও স্পষ্ট।

বহুমুখী বিশ্বরাজনীতিতে বাংলাদেশকে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানে রাখার কঠিন পরীক্ষা এখন ইউনূসের সামনে। যুক্তরাষ্ট্রকে না চটিয়ে চীন সফর করে আসা, প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রাপ্তি যোগ করার দূরদর্শিতা দেখিয়েছেন। নির্বাচনের প্রচারে চীনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হুমকি দিয়েছিলেন, তিনি ক্ষমতায় এলে চীনা পণ্যে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের। চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আবার বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ২০ জানুয়ারি, ২০২৫-এ দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ নেওয়ার পর চীন নিয়ে নীরব রয়েছেন ট্রাম্প। বিগত স্নায়ুযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের এক নম্বর শত্রু সোভিয়েত ইউনিয়নের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল ভারত। ১৯৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হয় এবং যুক্তরাষ্ট্র বিজয়ী হয়। চানক্য ভারত রাতারাতি রাশিয়াকে ফেলে যুক্তরাষ্ট্রের ছায়াতলে আশ্রয় নেয়। তবে গোপনে এবং প্রকাশ্যে ভারত রাশিয়ার সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক বজায় রেখে চলতে থাকার কারণে যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই ভারতকে সন্দেহের চোখে দেখে। ড. ইউনূসকে সেখানে অ্যাক্ট করতে হচ্ছে গ্লোবালাইজেশনে।

লেখক: সাংবাদিক-কলামিস্ট ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত