গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর এরশাদনগর এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুবদল নেতাদের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ব্যাপারে গত মঙ্গলবার টঙ্গী পূর্ব থানায় পৃথক চারটি অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগে ঈদের দিন সোমবার দুই গ্রুপের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক মোক্তাদির আহমেদ লিপু মোল্লার অনুসারী মতি এবং টঙ্গী থানা যুবদল নেতা সাগরের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এরই জেরে গত সোমবার উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, যুবদল নেতা সাগর প্রথমে মতিকে চড়-থাপ্পড় মারেন। এর প্রতিক্রিয়ায় মতি দলবল নিয়ে সাগরের বাড়িতে হামলা চালান। সাগরকে না পেয়ে তার স্ত্রী ও কন্যাসন্তানকে মারধর করা হয়। পরে খবর পেয়ে সাগর ঘটনাস্থলে গেলে মতি ও তার সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর হামলা চালান। এ সময় সাগরের অনুসারীরা এগিয়ে গেলে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে নারী, শিশুসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়। এ ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানায় উভয়পক্ষের অনুসারীরা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন।
এ ব্যাপারে মতি বলেন, ‘সাগর ও কামরুল ইসলাম কামুর লোকজনই আমাদের ওপর প্রথমে হামলা চালিয়েছে।’ টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
