রাজশাহীর বাগমারায় মাছ ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাককে ছুরিকাঘাতে হত্যা ও পরে উত্তেজিত জনতার হাতে অভিযুক্ত যুবক নিহতের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে।
গত শুক্রবার রাতে দুটি মামলা রেকর্ড হয়েছে। বাগমারা থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম জানান, ছুরিকাঘাতে মাছ ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাককে হত্যার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। আরেকটি মামলা হয়েছে জনগণ উত্তেজিত হয়ে আমিনুলকে হত্যা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায়।
রাজ্জাক হত্যার ঘটনায় মামলার বাদী হয়েছেন তার ভাই একরাম প্রামানিক। এই মামলায় শুধু আমিনুলের বিরুদ্ধেই অভিযোগ আনা হয়েছে। অপর মামলার বাদী হয়েছেন বাগমারা থানার এসআই গনি চৌধুরী। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাত প্রায় ১ হাজার থেকে ১২০০ জনকে। পুলিশ বলছে, মামলাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। মব জাস্টিসে কারও ইন্ধন ছিল কি না সেটিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহত মাছ ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক এবং নিহত আমিনুল ইসলাম দুজনই নওগাঁর আত্রাই উপজেলার গোয়ালবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রানশীবাজার এলাকায় আমিনুল মাছ বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নিতে রাজ্জাকের বুকে ছুরিকাঘাত করে। এতে তিনি মারা যান। এ সময় বাজারের স্থানীয় লোকজন আমিনুলকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে এবং মারধর করে আটকে রাখে। খবর পেয়ে বাগমারা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এদিকে রাজ্জাকের মৃত্যুর খবর পেয়ে সন্ধ্যার দিকে আত্রাই এলাকা থেকেও বিপুল সংখ্যক লোক সেখানে হাজির হয়। তারা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়, আমিনুলকে ধরে ফেলে এবং পিটিয়ে হত্যা করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতাকে সামাল দিতে গিয়ে সাতজন পুলিশ সদস্যও আহত হন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
