ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি শেষে রবিবার (৬ এপ্রিল) সকালে কর্মস্থলে যোগ দেন খুলনা জেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুল হক।
দুপুর ১২টার দিকে সহকর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করছিলেন। হঠাৎ কাঁপতে কাঁপতে চেয়ারে পড়ে যান। দ্রুত সহকর্মীরা তাকে খুলনার বেসরকারি সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিকেলে তার মরদেহ রাজশাহী জেলার পবা উপজেলায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
শিক্ষা কর্মকর্তার আকষ্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তার সহকর্মীদের মাঝে।
খুলনা জেলা শিক্ষা অফিসের হিসাব রক্ষক শেখ শাহিনুর রহমান বলেন, ঈদের ছুটি কাটিয়ে রবিবার সকালে শামসুল হক কাজে যোগ দেন। বেলা ১২টায় নিজের কক্ষে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছিলেন তিনি। কথা বলতে বলতে হঠাৎ তিনি চেয়ারে পড়ে যান। আমরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। কিন্তু ততক্ষণে তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।
হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে পথেই তার মৃত্যু হয়েছে। বিকেলে মরদেহ গোসল করিয়ে রাজশাহীতে তার গ্রামের বাড়ি উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
সহকর্মীরা জানান, খুলনায় তিনি একাই থাকতেন। তার দুই স্ত্রীর একজন সাতক্ষীরা এবং একজন ঢাকায় থাকেন। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
ফিলিস্তিন ইস্যুতে মুসলিম বিশ্বের কী করা উচিত, জানালেন আজহারী
উখিয়ায় জমি নিয়ে দুই পক্ষের সং/ঘ/র্ষে প্রা/ ণ গেল তিনজনের