প্রথম লেগে ০-১ গোলে পিছিয়ে থাকা ইন্টার মায়ামিকে জোড়া গোল ও অ্যাসিস্টে প্রত্যাবর্তনের ইতিহাস গড়ায় নেতৃত্ব দিয়েছেন লিওনেল মেসি। বাংলাদেশ সময় ভোরে চেজ স্টেডিয়ামে ৩-১ গোলে দ্বিতীয় লেগ জিতে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপের সেমিফাইনালে উঠেছে হেরনসরা ।
প্রথমার্ধের ৯ মিনিটেই অ্যারন লং-এর গোলে এগিয়ে যায় লস অ্যাঞ্জেলস এফসি। মনে হচ্ছিল, ফ্লোরিডার মাঠেও প্রতিপক্ষের আধিপত্য চলবে। কিন্তু মেসির জন্য রাতটা ছিল অন্যরকম। ৩৪ মিনিটে বাঁ পায়ের এক দুর্দান্ত শটে গোল করে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন দলকে। যদিও এর আগে ফ্রি-কিক থেকে একবার গোল দিয়েও তা বাতিল হয় ভিএআরের সিদ্ধান্তে।
দ্বিতীয়ার্ধে ইন্টার মায়ামি নামে আরও বেশি আগ্রাসী হয়ে। এবার মেসির পাস থেকেই আসে দ্বিতীয় গোল—হোলিংসহেডের ক্রস ছুঁয়ে বল জাল ছুঁয়ে যায় হুগো লরিসের অনিয়ন্ত্রিত প্রতিক্রিয়ায়। এরপরই আরও একবার গোল করে বসেন লুইস সুয়ারেজ, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ভিএআরের ভুল সিদ্ধান্তে তা বাতিল হয়ে যায়—একটি কাল্পনিক অফসাইড লাইনের খপ্পরে পড়ে।
তবে ভাগ্য মেসির সঙ্গে ছিল। কর্নার থেকে আসা এক বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজের হাতে বল লাগিয়ে ফেলেন মারলন। রেফারি প্রথমে না দেখলেও ভিএআরের ডাকে সিদ্ধান্ত পাল্টে পেনাল্টি দেন। এবং সেই পেনাল্টি থেকে নিখুঁত ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে বহু দিনের প্রতিপক্ষ হুগো লরিসকে বোকা বানান মেসি।
চলতি মৌসুমে ৯ ম্যাচে মেসির গোল হলো ৮। সব মিলিয়ে ক্যারিয়ার গোল দাড়ালো ৮৫৮।
ম্যাচের শেষ দিকে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের শক্ত ট্যাকলের শিকার হন মেসি। মাঠে শুরু হয় উত্তেজনা, কার্ড ঝড়ে মাঠ গরম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রেফারির বাঁশিতে ইন্টার মায়ামির ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত হয়—৩-১ গোলের জয়, আর মোট স্কোর ৩-২।
সেমিফাইনালে মায়ামি খেলবে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের সঙ্গে। তার আগে রবিবার মেজর লিগ সকারে শিকাগো ফায়ারের সংগে খেলবে তারা।
একপেশে ম্যাচে এক হালি গোল করে সেমির পথে বার্সা
‘বাজপাখি’ হতে পারেননি মার্তিনেজ, হারল তার দল