দেশে হিমোফিলিয়া রক্তক্ষরণ রোগীদের চিকিৎসায় সমন্বিত চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলা, ওষুধ সহজলভ্য করা ও কেন্দ্রীয়ভাবে রোগী নিবন্ধনের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। তারা বলেছেন, সময়মতো চিকিৎসা পেলে একজন হিমোফিলিয়া রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) আয়োজিত শোভাযাত্রা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে চিকিৎসকরা এসব কথা বলেন।
হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ এবং হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বিএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম। বিএমইউ উপাচার্য বলেন, ‘হিমোফিলিয়ার ক্ষেত্রে রোগীদের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই রোগীদের যথাসময়ে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হলে রোগীরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।’
উপাচার্য ভবিষ্যতে বিএমইউর হিমোফিলিয়া সেন্টারকে একটি সমন্বিত চিকিৎসাকেন্দ্রে রূপান্তর এবং সব রোগীর জন্য চিকিৎসা ও ওষুধ সহজলভ্য করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, অনেক রোগী মাড়ি থেকে রক্ত পড়ার সমস্যা নিয়ে ডেন্টাল বিভাগে আসে। কিন্তু বুঝতে পারে না যে তারা হিমোফিলিয়া রোগে ভুগছে। সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার বলেন, হিমোফিলিয়া শুধু পুরুষ নয়, নারীদেরও হতে পারে।
হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আদনান হাসান মাসুদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. আমিন লুৎফুল কবীর, বিএমইউ হেমাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুজ্জামান খান, হিমোফিলিয়া সোসাইটির সভাপতি নাজমুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ আরিফ।
