গরমে সতেজ থাকুক শরীর

আপডেট : ০৩ মে ২০২৫, ০১:০৭ এএম

গরমে ঘামের সমস্যা বেড়ে যায়। তবে কিছু প্রাকৃতিক উপায়ে গা থেকে ঘামের গন্ধ দূর করা যায়। গ্রীষ্মে অতিরিক্ত ঘামের কারণে গায়ে দুর্গন্ধ হয়।

বেকিং সোডা বা লেবুর রস : বেকিং সোডা বা লেবুর রস ঘামের গন্ধ কমাতে সাহায্য করে। শরীরের কয়েকটি অংশে বেকিং সোডা বা লেবুর রস গায়ে মেখে রাখুন খানিকক্ষণ। এটি ঘাম শোষণ করতে সাহায্য করবে এবং দুর্গন্ধ দূর করবে। সাইট্রাস রসে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য থাকায় সমস্যার সমাধান হতে পারে।

চা গাছের তেল : টি ট্রি অয়েল অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণাগুণে পূর্ণ। এটি ঘামের গন্ধ কমাতে সাহায্য করে। কয়েক ফোঁটা তেল গায়ে মেখে রাখলে বা গোসলের পানিতে কয়েক ফোঁটা মিশিয়ে দিলে ভালো কাজ হবে।

নারকেল তেল : অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান রয়েছে নারকেল তেলে। ঘামের গন্ধ দূর করার পাশাপাশি ত্বকের আর্দ্রতাও ধরে রাখে। গোসলের পর নারকেল তেল ব্যবহার করলে ত্বক সতেজ ও পরিষ্কার থাকে। যদিও গরমের কথা ভেবে অনেকেই তেল থেকে দূরে থাকেন। সে ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু অংশে কয়েক ফোঁটা মেখে নেওয়া যায়। সারা শরীরে নয়।

অ্যালোভেরা জেল : অ্যালোভেরা ত্বককে ঠা-া ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ঘামের গন্ধ কমাতেও কার্যকর। অ্যালোভেরা জেল সরাসরি গায়ে মাখতে বা গোসলের পর শরীরের কয়েকটি জায়গায় ব্যবহার করতে পারেন।

কাঠবাদামের তেল ও গোলাপজল : কাঠবাদাম এবং গোলাপজল মিশিয়ে গায়ে মাখলে ত্বক নরম হয় এবং ঘামের গন্ধও চলে যায়। গোলাপজল ত্বককে শীতল এবং পিএইচের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

সঠিক সাবান : গ্রীষ্মকালে সাবান ও শ্যাম্পু নির্বাচনে সচেতন থাকুন। এ সময়ে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করতে হবে, যা ত্বকের অপ্রয়োজনীয় ব্যাকটেরিয়া ও ময়লা পরিষ্কার করবে।

হাল্কা পোশাক : গ্রীষ্মে আঁটসাঁট পরা বা একই পোশাক একটানা কয়েক দিন পরে থাকলে ঘামের গন্ধ বাড়তে পারে। যতটা সম্ভব সুতির এবং হাল্কা পোশাক পরতে হবে। সময়মতো জামা বদলে ফেলা দরকার।

শীতল খাবার ও পানি পান : গ্রীষ্মে ত্বককে সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। সবুজ শাকসবজি, ফলমূল ও শীতল পানীয়ের ওপর নির্ভরশীল খাদ্যাভ্যাসের রুটিন মেনে চলা উচিত, যাতে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ঘামের সমস্যাও কমে যায়।

শরীরের লোম অপসারণ : হাত, পা, বাহুমূলের লোম ছেঁটে ফেললে দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। শরীরে যে যে অংশে ঘাম বেশি হয়, সেসব জায়গায় লোম বেশি থাকলে ঘাম শুকাতে পারে না। গন্ধ তৈরি হয়। এই পন্থাগুলো অনুসরণ করলে গ্রীষ্মে অতিরিক্ত ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত