তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীর মধ্যে 'তুলনা' হচ্ছে কেন?

আপডেট : ১৮ মে ২০২৫, ১২:৩৩ পিএম

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরদোয়ানের জন্য চলতি সপ্তাহটা বলতে গেলে 'দারুন' ছিল। তুরস্কে সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে যুক্ত কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) নিজেদের ভেঙে দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের আরো ঘনিষ্ট হতে থাকা দেশ সিরিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনা তুরস্কতেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন পোপ শিগগিরই সে দেশ সফর করতে চলেছেন বলে ঘোষণা করেছেন।

শুধু তাই নয়, তুরস্ক সমর্থিত লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা আরও মজবুত হয়েছে। পাশাপাশি ভারতের বিরুদ্ধে সাহায্যের জন্য রেচেপ তাইপ এরদোয়ানকে ধন্যবাদ জানিয়েছে পাকিস্তান।

অন্যদিকে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্য গত দুই সপ্তাহ ছিল 'চ্যালেঞ্জিং'। গত ২২শে এপ্রিল পহেলগাম হামলার পর ছয় ও সাতই মে-র মধ্যবর্তী রাতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেয় ভারত। এরপর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরো বাড়ে এবং হামলা ও পাল্টা হামলা চলতে থাকে। তারপর দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার সময় তার কৃতিত্ব নেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বার্তা যায় যে যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে 'নির্দেশ' দিচ্ছে।

ভারত ও পাকিস্তানের সংঘর্ষে তুরস্ক প্রকাশ্যে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছিল। এই আবহে তুরস্ককে নিয়ে ভারতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল বিতর্ক চলছে।

আবার ভারত দাবি করেছে পাকিস্তান যেসব ড্রোন হামলা চালিয়েছে যেগুলো তুরস্কে নির্মিত।

এ নিয়ে ভারতীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুরস্কের বিরুদ্ধে বয়কটের ডাক ওঠে। রাজনৈতিক নেতারাও এর প্রতিধ্বনি তোলেন।

গত বৃহস্পতিবার ভারত জাতীয় নিরাপত্তার উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে তুর্কি সংস্থা চেলেবিকে তাদের বিমানবন্দরে কার্যক্রম পরিচালনা করতে নিষেধ করেছে, যদিও এই অভিযোগ কোম্পানিটি অস্বীকার করেছে।

এছাড়া জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়, জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া এবং মাওলানা আজাদ ন্যাশনাল উর্দু ইউনিভার্সিটিসহ বেশ কয়েকটি ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তুর্কি প্রতিষ্ঠানের সাথে একাডেমিক সম্পর্ক স্থগিত করেছে।

তবে ভারতের এসব সিদ্ধান্তে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের 'বিশেষ ভ্রূক্ষেপ' নেই বলেই মনে হচ্ছে।

তিনি বৃহস্পতিবার বলেছেন, "আমরা পাকিস্তানের জনগণের পাশে আছি। আমি আমার ভাই শাহবাজ শরিফকে ফোন করে বলেছিলাম যে আমরা পাশে আছি। আমরা পাকিস্তানের পাশে থাকব।"

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীর মধ্যে 'তুলনা' হচ্ছে কেন?

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরদোয়ানের জন্য চলতি সপ্তাহটা বলতে গেলে 'দারুন' ছিল।

তুরস্কে সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে যুক্ত কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) নিজেদের ভেঙে দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের আরো ঘনিষ্ট হতে থাকা দেশ সিরিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনা তুরস্কতেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন পোপ শিগগিরই সে দেশ সফর করতে চলেছেন বলে ঘোষণা করেছেন।

শুধু তাই নয়, তুরস্ক সমর্থিত লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা আরও মজবুত হয়েছে। পাশাপাশি ভারতের বিরুদ্ধে সাহায্যের জন্য রেচেপ তাইপ এরদোয়ানকে ধন্যবাদ জানিয়েছে পাকিস্তান।

অন্যদিকে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্য গত দুই সপ্তাহ ছিল 'চ্যালেঞ্জিং'। গত ২২শে এপ্রিল পহেলগাম হামলার পর ছয় ও সাতই মে-র মধ্যবর্তী রাতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেয় ভারত। এরপর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরো বাড়ে এবং হামলা ও পাল্টা হামলা চলতে থাকে।
তারপর দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার সময় তার কৃতিত্ব নেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বার্তা যায় যে যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে 'নির্দেশ' দিচ্ছে।

ভারত ও পাকিস্তানের সংঘর্ষে তুরস্ক প্রকাশ্যে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছিল। এই আবহে তুরস্ককে নিয়ে ভারতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল বিতর্ক চলছে।

আবার ভারত দাবি করেছে পাকিস্তান যেসব ড্রোন হামলা চালিয়েছে যেগুলো তুরস্কে নির্মিত।

এ নিয়ে ভারতীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুরস্কের বিরুদ্ধে বয়কটের ডাক ওঠে। রাজনৈতিক নেতারাও এর প্রতিধ্বনি তোলেন।

গত বৃহস্পতিবার ভারত জাতীয় নিরাপত্তার উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে তুর্কি সংস্থা চেলেবিকে তাদের বিমানবন্দরে কার্যক্রম পরিচালনা করতে নিষেধ করেছে, যদিও এই অভিযোগ কোম্পানিটি অস্বীকার করেছে।

এছাড়া জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়, জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া এবং মাওলানা আজাদ ন্যাশনাল উর্দু ইউনিভার্সিটিসহ বেশ কয়েকটি ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তুর্কি প্রতিষ্ঠানের সাথে একাডেমিক সম্পর্ক স্থগিত করেছে।

তবে ভারতের এসব সিদ্ধান্তে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের 'বিশেষ ভ্রূক্ষেপ' নেই বলেই মনে হচ্ছে।

তিনি বৃহস্পতিবার বলেছেন, "আমরা পাকিস্তানের জনগণের পাশে আছি। আমি আমার ভাই শাহবাজ শরিফকে ফোন করে বলেছিলাম যে আমরা পাশে আছি। আমরা পাকিস্তানের পাশে থাকব।"

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত