ওয়েম্বলিতে প্রমোশন প্লে-অফের ফাইনাল ম্যাচে সান্ডারল্যান্ড ২-১ গোলে হারিয়েছে শেফিল্ড ইউনাইটেডকে। তাতে প্রিমিয়ার লিগে ফেরার স্বপ্নভঙ্গ হয় শেফিল্ডের। আট বছর পর আবারও প্রিমিয়ার লিগে ফিরলো সান্ডারল্যান্ড।
বাংলাদেশি ফুটবলার হামজা চৌধুরী এদিন ছিলেন শেফিল্ডের শুরুর একাদশে। রাইট ব্যাকে খেলেন ম্যাচের পুরো সময়ই। হামজার ক্লাব লেস্টার সিটি এই মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ থেকে রেলিগেটেড হয়ে নেমে গেছে চ্যাম্পিয়নশিপে। তবে ধারে শেফিল্ডে খেলা হামজার সামনে সুযোগ ছিল প্রিমিয়ার লিগে ফেরার। শুরুতে গোলও করে তার দল। তবে অতিরিক্ত সময়ে করা গোলে প্রিমিয়ার লিগে ওঠে সান্ডারল্যান্ড।
দ্বিতীয় মিনিটেই দারুণ এক আক্রমণ করে শেফিল্ড ইউনাইটেড। গুস্তাভো হামেরের ক্রসে হেড করেন কেফার মোর। তবে ঝাপিয়ে পড়ে দারুণ সেভ দেন সান্ডারল্যান্ডের গোলকিপার অ্যান্থনি প্যাটারসন। এরপর খেলা কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে, সান্ডারল্যান্ডের ও'নিন ইনজুরিতে পরে মাঠ ছাড়েন। ১৭ মিনিটে প্রথমবার বলার মতো আক্রমণ করে সান্ডারল্যান্ড। কর্নার পায় তারা। তবে কর্নার থেকে আসা বল সহজেই ধরে ফেলেন শেফিল্ড গোলকিপার।
২৩ মিনিটে আবারও কর্নার পায় সান্ডারল্যান্ড। সেই কর্নার থেকেই পাল্টা আক্রমণে ওঠে শেফিল্ড। নিজেদের মাঠের অর্ধ থেকে বল পায়ে আক্রমণে যান গুস্তাফো হামের, ডানপ্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে তিনি পাস দেন টাইরেস ক্যাম্পবেলকে। বল জালে পাঠানে ভুল করেননি তিনি।
২৭ মিনিটে সান্ডারল্যান্ডের মিয়ান্ডার হেড বারের উপর দিয়ে যায়। গোল হজমের পর বেশ কয়েকবার আক্রমণে ওঠে সান্ডারল্যান্ড। ৩৩ মিনিটে কর্নার পায় শেফিল্ড। কর্নার থেকে বল সান্ডারল্যান্ডের এক খেলোয়াড় হেডে ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেন। বক্সের বাইরে বল পান হ্যারিসন বারুস। সেখান থেকে তার নেওয়া শট জালে জড়ান। তবে ভিএআর-এ বাতিল হয় গোল। শেফিল্ডের ভিনিসিয়ুস সুজা ছিলেন অফসাইডে। প্রথমার্ধে যোগকরা সময় ছিল আট মিনিট। তবে এ সময়ে বলার মতো আক্রমণ করতে পারেনি কোন দলই। ফলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় শেফিল্ড।
প্রথমার্ধে শেফিল্ডের চার শটের দুটি ছিল লক্ষ্যে। সান্ডারল্যান্ডের দুই শটের একটি ছিল লক্ষ্যে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে সান্ডারল্যান্ড। প্রথম পাঁচ মিনিটের মধ্যে দুটি এক্রমণ করে তারা, অবশ্য তাতে মেলেনি সাফল্য। ৭৬ মিনিটে গোল শোধ দেয় সান্ডারল্যান্ড। প্যাট্রিক রবার্টসের অ্যাসিস্টে এলিজের মায়েন্ডা গোল করেন। যোগকরা সময় দেওয়া হয় ৭ মিনিট। যোগকরা সময়ে ব্যবধান বাড়ায় সান্ডারল্যান্ড। শেফিল্ডের এক খেলোয়াড়ের ভুল পাসে বল পেয়ে গোল করেন টম ওয়াটসন। সেটিই হয় জয়সূচক গোল।
‘আমি থাকছি তুমি চলে যাও’, গারনাচোকে আমোরিম
সাফের সব ‘বাধা দূর’ করলেন সালাউদ্দিন