যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান বাণিজ্য যুদ্ধ নিরসনে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। মধ্য লন্ডনের ল্যাঙ্কাস্টার হাউসে শুরু হওয়া এই আলোচনায় বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতি নিজেদের বিবদমান ইস্যুগুলোর সমাধানে ঐকমত্যের আশা করা হচ্ছে।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধিদল এবং চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী হি লাইফেংয়ের নেতৃত্বে তার দেশের প্রতিনিধিদল অংশ নিয়েছে।
গত মাসে ওয়াশিংটন ও বেইজিং শুল্ক বিষয়ে একটি ‘অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে’ সম্মত হয়েছিল। তবে এরপর আবার এক দেশ অন্য দেশের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে।
গত বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের মধ্যে একটি ফোনালাপের পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সেই ফোনালাপকে ট্রাম্প ‘খুব ভালো আলোচনা’ বলে বর্ণনা করেন।
গত ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দুই নেতার মধ্যে এটিই ছিল প্রথম আলোচনা। এ নিয়ে ট্রাম্প বলেন, উভয় দেশ একটি অত্যন্ত ইতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত চীনের বিরুদ্ধে নেওয়া নেতিবাচক পদক্ষেপগুলো প্রত্যাহার করা।
এর আগে গত ১২ মে জেনেভায় আলোচনার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন ৯০ দিনের একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছায়। এতে উভয় দেশ একে অপরের ওপর আরোপিত শুল্ক শিথিল করতে সম্মত হয়। এই ঘোষণার পর বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে স্বস্তি ফিরে আসে। যদিও দুই দেশের মধ্যে জটিল ইস্যুগুলো এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
