পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় নজরুল ইসলাম নামে এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৩৫ চাকরিপ্রার্থীর ২ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আত্মসাৎ করা টাকা ফেরত পাওয়া ও নজরুল ইসলামের শাস্তির দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে পৌর শহরের মোক্তারপট্টি এলাকার একটি ভবনে ভুক্তভোগীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে মঞ্জুরুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাতাকাটা গ্রামের বাসিন্দা ও গুদিঘাটা সরোজিনী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলাম ২০২০ সাল থেকে মঠবাড়িয়া উপজেলায় ‘গুদিঘাটা সরোজিনী’, ‘বড় মাছুয়া খেজুরবাড়িয়া’, ‘ছোট মাছুয়া’, ‘ফুলঝুড়ী সৈয়দ মেমোরিয়াল’ ও ‘নলী সরদারপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ নামে পাঁচটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি নিজেকে ওই পাঁচটি বিদ্যালয়ের সভাপতি বলে প্রচার চালান। বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেন। এরপর শিক্ষকের চাকরি দেওয়ার নামে নানা কৌশলে ৩৫ জনের কাছ থেকে ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। গত ৫ আগস্টের পরপরই নজরুল ইসলাম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে গেলে প্রতারণার বিষয়টি ভুক্তভোগীরা বুঝতে পারেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী সালমা সুলতানা, সাইদুর রহমান, মো. হাসান, শিমু আক্তার, অন্তর কুমার, মুন্নি আক্তার, মো. মামুন, মোসা. সাবিনা ইয়াসমিন, মো. বাবু, মোসা. হাসিনা বেগম, সাইদুল ইসলাম, খোকন মল্লিক ও অভিভাবক মো. শহিদুল ইসলাম। অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম পলাতক থাকায় এ ব্যাপারে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল কাইয়ূম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
