ওসির অপসারণ দাবি

নামের মিল, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে থানায় রাতভর আটক

আপডেট : ১৯ জুন ২০২৫, ০৭:০৭ পিএম

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামির সঙ্গে ‘নামের মিল’ থাকায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক খন্দকার নূরনবী কাজলকে রাতভর থানায় আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।

ঘটনার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয় বিএনপি ও সেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা। তারা হাতীবান্ধা থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুন নবীর অপসারণ দাবি করেন।

খন্দকার নূরনবী কাজল বলেন, আমি বারবার বলেছি আমার নামে কোনো মামলা নেই। কিন্তু তারা কথা না শুনে গভীর রাতে বাড়ি থেকে ধরে এনে জেল হাজতে আটকে রাখে। ওসি আগেও মিথ্যা মামলায় অনেককে হয়রানি করেছেন। আমরা প্রতিবাদ করেছি। এর জের ধরেই তিনি আমাকে ইচ্ছাকৃতভাবে গ্রেপ্তার করেছেন।

তার স্ত্রী নাসরিন ফারহানার অভিযোগ, ওসি আমাকে বলেন, ‘আসল আসামিকে এনে দেন, তবেই আপনার স্বামীকে ছাড়ব।’ আমার সঙ্গে অশোভন আচরণ করা হয়েছে।

হাতীবান্ধা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ভুলবোঝাবুঝির কারণে এমনটি ঘটেছে বলে থানার ওসি ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে আর এমনটি হবে না বললে আমরা চলে আসি। 

তবে হাতীবান্ধা থানার ওসি মাহমুদুন নবী বলেন, নামের মিল থাকায় ভুলবশত তাকে আটক করা হয়েছিল। পরে ভুল বুঝতে পেরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. নুরনবী ইসলাম ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা খন্দকার নূরনবী কাজলের নাম একই হলেও পিতার নাম ও পরিচয় ভিন্ন। উভয়ের বাড়ি একই এলাকায়—পশ্চিম বেজগ্রামে।

লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছে। একই নাম থাকায় পুলিশ ভুল করেছে। এতে অহেতুক উত্তেজনার কিছু নেই, পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত