বায়ার্নের বিরুদ্ধে শতাব্দীর ডাকাতি-র বদলা নিয়েও হারল বোকা

আপডেট : ২১ জুন ২০২৫, ০৩:৩০ পিএম

বায়ার্ন মিউনিখ-বোকা জুনিয়র্সের মধ্যকার ক্লাব বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচটি ছিল টানটান উত্তেজনাপূর্ণ, যা ২০০১ সালের ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ ফাইনালের বিতর্কিত মুহূর্তগুলোর স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছিল। 'শতাব্দীর ডাকাতি' বলে যে ফাইনালকে আখ্যায়িত করে বোকা জুনিয়র্স, এবারের ম্যাচেও যেন তারই এক প্রতিচ্ছবি দেখা গেল।

শুক্রবার মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বায়ার্ন মিউনিখ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। ১৭ মিনিটের মাথায় দলের তারকা খেলোয়াড় হ্যারি কেইন গোল করে বায়ার্নকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। তবে এই গোলের আগে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা বোকা সমর্থকদের মনে পুরোনো ক্ষোভ জাগিয়ে তোলে।

ম্যাচের নবম মিনিটে বায়ার্নের তরুণ খেলোয়াড় মাইকেল ওলিসে একটি কর্নার কিক নেন। তার নেওয়া সেই শট প্রায় সরাসরি বোকা জুনিয়র্সের জালে জড়ায়। 'অলিম্পিক গোল'-এর উদযাপনও শুরু করে দেয়া বায়ার্ন। কিন্তু বোকা জুনিয়র্সের খেলোয়াড়রা দ্রুত গোল বাতিলের জন্য রেফারির কাছে আবেদন জানাতে থাকে। তাদের দাবি ছিল, তাদের গোলরক্ষক অগাস্টিন মার্চেসিনের ওপর ফাউল করা হয়েছে। 

ভিডিও রিপ্লেতে দেখা যায়, বায়ার্নের সার্জ নাবরি বোকা গোলরক্ষক মার্চেসিনের নড়াচড়ায় বাধা দিচ্ছেন। ভিএআর দেখে রেফারি গোলটি বাতিল ঘোষণা করেন।

এই ঘটনাটি ২০০১ সালের ইন্টারকন্টিনেন্টাল ফাইনালের একটি কুখ্যাত ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়। সেই ম্যাচে বোকা জুনিয়র্সের ক্লিমেন্তে রদ্রিগেজকে জার্মান খেলোয়াড় জিওভানে এলবার ফাউল করেছিলেন, যার ফলে স্যামুয়েল কুফুর গোল করে বায়ার্নকে একমাত্র জয়সূচক গোলটি এনে দিয়েছিলেন। সেই ডেনিশ রেফারি কিম নিলসেনের বিতর্কিত সিদ্ধান্তকে বোকা জুনিয়র্স সবসময় "শতাব্দীর ডাকাতি" হিসেবে মনে রেখেছে। এবার ওলিসের গোল বাতিল হওয়ায় বোকা সমর্থকরা এটিকে এক প্রকার প্রতিশোধ বলে মনে করছে।

২০০১ কন্টিনেন্টাল কাপ ফাইনাল বিতর্কিতে গোলে জিতে নেয় বায়ার্ন মিউনিখ

যদিও বায়ার্ন মিউনিখের কাছে শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে হেরে যায় বোকা ম্যাচটি। এই জয়ে বায়ার্ন গ্রুপ থেকে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে। তাদের শেষ ম্যাচ বেনফিকার সঙ্গে। অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে ১ পয়েন্ট পাওয়া বোকা শেষ ম্যাচ খেলবে দুই ম্যাচে ১৮ গোল খাওয়া অকল্যান্ড সিটির সঙ্গে। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত