লর্ডস টেস্টের আগে ডিউক বল বিতর্ক উসকে দিলেন পান্ত 

আপডেট : ১০ জুলাই ২০২৫, ০৩:০০ পিএম

ভারত-ইংল্যান্ড পাঁচ ম্যাচ টেস্ট সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ আজ ঐতিহাসিক লর্ডস মাঠে শুরু হচ্ছে। তার আগের দিন আবারও ডিউক বল বিতর্ককে উসকে দিলেন ভারতের সহ-অধিনায়ক রিশাভ পান্ত। বুধবার লন্ডনে সাংবাদিকদের স্পষ্টভাবে জানালেন, বলের আকার দ্রুত বদলে যাওয়া এখন "একটি বড় সমস্যা" হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে এজবাস্টন টেস্টের পর ভারত অধিনায়ক শুবমান গিল বলেছিলেন, বল খুব তাড়াতাড়ি নরম হয়ে যাওয়ায় বোলারদের জন্য উইকেট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। পান্তও সে কথাই পুনরায় তুলে ধরলেন।

পান্ত বলেন, “নিশ্চিতভাবেই এটা একটা বড় সমস্যা। বল আকার হারিয়ে ফেলছে। আপনি যখন বাইরে থেকে দেখেন, বলটা যেন ‘ডি’ আকৃতির। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী খেলতেই হবে। যতক্ষণ না কেউ নিয়ম বদলাচ্ছে, আমাদের কিছু করার নেই। এটা খেলোয়াড়দের হাতে নেই।”

শুবমান গিল বলেছিলেন, “বোলারদের জন্য খুবই কঠিন। উইকেট যতটা নয়, তার চেয়ে বেশি সমস্যা বলের। বলটা খুব তাড়াতাড়ি নরম হয়ে যাচ্ছে। জানি না সমস্যাটা উইকেটে, না বলেই, তবে এমন পরিস্থিতিতে বোলারদের পক্ষে উইকেট পাওয়া খুব কঠিন।”

এই মন্তব্যের পর ডিউক বল নির্মাতা দিলীপ জাজোডিয়া পাল্টা জবাব দিয়ে বলেছেন, “প্রাকৃতিক কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি বলের ক্ষেত্রে শতভাগ নিখুঁত সম্ভব নয়। পৃথিবীর কেউই এমন কিছু তৈরি করতে পারবে না। বল নিয়ে সবসময়ই সমালোচনা হয়—ডিউক হোক, এসজি হোক, কুকাবুরা হোক। টেস্টে তো নতুন বল ব্যবহার করা হয়, সেটাকে আগে থেকে পুরোপুরি পরীক্ষা করা যায় না।”

তিনি আরও বলেন, “আধুনিক ব্যাট অনেক শক্তিশালী হয়েছে, ব্যাটসম্যানরাও এখন আগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী, ফলে বল অনেক দূর যাচ্ছে, স্তম্ভ, বেঞ্চে আঘাত করছে। শুভমন গিল যেমন—তিনি সাধারণত ছক্কা হাঁকান না, কিন্তু তিনিও ছক্কা মারছেন।”

শুবমানের অভিযোগ, যে বল ৩০ ওভারেই নরম হয়ে যাচ্ছে, “ক্রিকেট বল ধীরে ধীরে নরম হয়—এটাই স্বাভাবিক। এজন্যই তো ৮০ ওভার পরে নতুন বল নেওয়ার নিয়ম আছে। কিন্তু আজকের যুগে ধৈর্য কম। ৩০ ওভারেই যদি উইকেট না পাওয়া যায়, তাহলে খেলোয়াড়রা ভাবেন নতুন বল নিলে কিছু হবে। কিন্তু সিরিজে তো ফলাফল হয়েছে, ব্যাটসম্যানরা রান পেয়েছেন, ভারত তো ২০ উইকেটও নিয়েছে। আর বল দিয়ে আর কী প্রমাণ হবে?”

লর্ডস টেস্টের আগে ডিউক বল বিতর্ক উসকে দিলেন পান্ত 

ভারত-ইংল্যান্ড পাঁচ ম্যাচ টেস্ট সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ আজ ঐতিহাসিক লর্ডস মাঠে শুরু হচ্ছে। তার আগের দিন আবারও ডিউক বল বিতর্ককে উসকে দিলেন ভারতের সহ-অধিনায়ক রিশাভ পান্ত। বুধবার লন্ডনে সাংবাদিকদের স্পষ্টভাবে জানালেন, বলের আকার দ্রুত বদলে যাওয়া এখন "একটি বড় সমস্যা" হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে এজবাস্টন টেস্টের পর ভারত অধিনায়ক শুবমান গিল বলেছিলেন, বল খুব তাড়াতাড়ি নরম হয়ে যাওয়ায় বোলারদের জন্য উইকেট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। পান্তও সে কথাই পুনরায় তুলে ধরলেন।

 

পান্ত বলেন, “নিশ্চিতভাবেই এটা একটা বড় সমস্যা। বল আকার হারিয়ে ফেলছে। আপনি যখন বাইরে থেকে দেখেন, বলটা যেন ‘ডি’ আকৃতির। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী খেলতেই হবে। যতক্ষণ না কেউ নিয়ম বদলাচ্ছে, আমাদের কিছু করার নেই। এটা খেলোয়াড়দের হাতে নেই।”

শুবমান গিল বলেছিলেন, “বোলারদের জন্য খুবই কঠিন। উইকেট যতটা নয়, তার চেয়ে বেশি সমস্যা বলের। বলটা খুব তাড়াতাড়ি নরম হয়ে যাচ্ছে। জানি না সমস্যাটা উইকেটে, না বলেই, তবে এমন পরিস্থিতিতে বোলারদের পক্ষে উইকেট পাওয়া খুব কঠিন।”

এই মন্তব্যের পর ডিউক বল নির্মাতা দিলীপ জাজোডিয়া পাল্টা জবাব দিয়ে বলেছেন, “প্রাকৃতিক কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি বলের ক্ষেত্রে শতভাগ নিখুঁত সম্ভব নয়। পৃথিবীর কেউই এমন কিছু তৈরি করতে পারবে না। বল নিয়ে সবসময়ই সমালোচনা হয়—ডিউক হোক, এসজি হোক, কুকাবুরা হোক। টেস্টে তো নতুন বল ব্যবহার করা হয়, সেটাকে আগে থেকে পুরোপুরি পরীক্ষা করা যায় না।”

তিনি আরও বলেন, “আধুনিক ব্যাট অনেক শক্তিশালী হয়েছে, ব্যাটসম্যানরাও এখন আগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী, ফলে বল অনেক দূর যাচ্ছে, স্তম্ভ, বেঞ্চে আঘাত করছে। শুভমন গিল যেমন—তিনি সাধারণত ছক্কা হাঁকান না, কিন্তু তিনিও ছক্কা মারছেন।”

শুবমানের অভিযোগ, যে বল ৩০ ওভারেই নরম হয়ে যাচ্ছে, “ক্রিকেট বল ধীরে ধীরে নরম হয়—এটাই স্বাভাবিক। এজন্যই তো ৮০ ওভার পরে নতুন বল নেওয়ার নিয়ম আছে। কিন্তু আজকের যুগে ধৈর্য কম। ৩০ ওভারেই যদি উইকেট না পাওয়া যায়, তাহলে খেলোয়াড়রা ভাবেন নতুন বল নিলে কিছু হবে। কিন্তু সিরিজে তো ফলাফল হয়েছে, ব্যাটসম্যানরা রান পেয়েছেন, ভারত তো ২০ উইকেটও নিয়েছে। আর বল দিয়ে আর কী প্রমাণ হবে?”

এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজের সময়ও, জশ হ্যাজেলউড অভিযোগ করেছেন যে তিনি কখনও ৭০ ওভারের পুরনো নরম বল দিয়ে বল করেননি। তবে জাদেজিয়া মনে করেন ৮০ ওভারের আগেই বল পরিবর্তন করা উচিত, ‘ক্রিকেট কর্তৃপক্ষের উচিত, ৮০ ওভারের পরিবর্তে ৬০ থেকে ৭০ ওভারের মধ্যে বল পরিবর্তনের অনুমতি দেওয়া। তবে কেউ যদি আশা করে বল ৬৯.৫ ওভার পর্যন্ত শক্ত থাকবে.. তাহলে আমি ভয় পাচ্ছি! কারণ, এটা সম্ভব নয়।’

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত