সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী টুর্নামেন্টে ভুটানের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে আলোচনায় উঠে এসেছেন বাংলাদেশের লেফট উইঙ্গার শান্তি মার্ডি। বাজে মাঠে কেবল হ্যাটট্রিকই করেননি, সতীর্থ মুনকি আক্তারের গোলেও রেখেছিলেন অবদান। এমন পারফরম্যান্সের পর নিজের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন শান্তি। বল পায়ে পেতে চান প্রতিষ্ঠা, হতে চান জাতীয় দলের সেনসেশন ঋতুপর্ণা চাকমার মত বড় খেলোয়াড়।
২০২৪ সালে বাংলাদেশকে টানা সাফ জিতিয়েছিলেন ঋতুপর্ণা। সম্প্রতি মিয়ানমারে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের গ্রুপসেরা হতেও ছিল বড় অবদান। দেশকে প্রথমবারের মত এশিয়ান কাপের বড় মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই ঋতুপর্ণা বনে গেছেন দেশের নারী ফুটবলের পোস্টার গার্ল। চোখের সামনে ঋতুর জনপ্রিয়তা আকাশ ছুঁতে দেখে মার্ডিও তাকেই মানছেন আদর্শ। বাফুফের ফেসবুক পেজে শান্তি বলেছেন , 'অনেক বড় খেলোয়াড় হতে চাই। ঠিক ঋতু আপুর মতো।'
শান্তি মার্ডিও ঋতুর মতই এসেছেন আদিবাসী সমাজ থেকে। বাবা কৃষিকাজ করেন। দুই ভাই ও দুই বোনের একজন শান্তি মঙ্গলবারের হ্যাটট্রিক নিয়ে বলেন, 'অনেক খুশি হয়েছি। হ্যাটট্রিক করেছি। সর্বপ্রথম ধন্যবাদ দিতে চাই সৃষ্টিকর্তাকে।’
দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর বাবার কাছ থেকে ফোন পাওয়ার কথা জানিয়ে শান্তি বলেন, 'বাবা ফোন করছেন। হাফ টাইম পর্যন্ত খেলা দেখেছেন। পরে আর দেখতে পারেননি। পরে বলছেন ভালো খেলছি।'
জেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খেলা দিয়ে শান্তির ফুটবলে হাতেখরি। আর জাতীয় ক্যাম্পে আসেন বিকেএসপিতে অনুষ্ঠিত এক টুর্নামেন্টে নজর কেড়ে।
শরিফুলের শেষ ওভারে ২২ রান নিয়ে শ্রীলঙ্কার ১৩২