শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে এবার ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে নামতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। লিটন দাসদের সামনে সুযোগ প্রথমবার পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জেতার।
পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা ২২ টি-টোয়েন্টির ১৯টিতেই হেরেছে বাংলাদেশ। অবশ্য তাদের হারানো ৩ ম্যাচের দুটিই মিরপুরে। প্রথমবার বাংলাদেশ পাকিস্তানকে হারায় ২০১৫ সালের এপ্রিলে। ওই সফরে খেলা ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ।
একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে সাব্বির রহমানের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। পরের বছর দেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এশিয়া কাপে দ্বিতীয়বার পাকিস্তানকে হারানোর আনন্দ পায় বাংলাদেশ। আর সবশেষ জয়টি ছিল ২০২৩ সালে চীনের হ্যানঝু এশিয়ান গেমসের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের জয়টি।
বৃষ্টি বাধায় ৬ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে শেষ বলে জেতে বাংলাদেশ। ওই আসরে অবশ্য উভয় দলই তাদের দ্বিতীয় সারির দল পাঠিয়েছিল।
২০১৫ সালের প্রথম জয়ের ম্যাচটিতে আগে মুক্তার আহমেদের ৩৭ ও হারিস সোহেলের অপরাজিত ৩০ রানে ভর করে ৫ উইকেটে ১৪১ রান তোলে পাকিস্তান। ওই ম্যাচে মোস্তাফিজুর রহমান ২০ রানে ২টি এবং আরাফাত সানি ও তাসকিন আহমেদ একটি করে উইকেট নেন।
জবাবে তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার ও মুশফিকুর রহিম পাওয়ার প্লের মধ্যে ফিরে গেলেও হাল ধরেন সাকিব আল হাসানের সঙ্গে সাব্বির রহমান। তাতে ২২ বল বাকি থাকতেই জেতে বাংলাদেশ। ৪১ বলে ৯ চারে সাকিব অপরাজিত থাকেন ৫৭ রানে আর সাব্বির ৭ চার ১ ছক্কায় ৩২ বলে খেলেন ৫১ রানের অপরাজিত ইনিংস। পরের বছর এশিয়া কাপে বাংলাদেশের বোলিং নৈপুণ্যে ৭ উইকেটে মাত্র ১২৯ রান তোলে পাকিস্তান। আল আমিন হোসেন ৩টি, আরাফাত সানি ২টি উইকেট পান।
জবাবে ধীরলয়ে ৪৮ বলে ৪৮ রানের ইনিংস খেলেন সৌম্য। ৫ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। গত জুনে নিজেদের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজে পাকিস্তান বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াটওয়াশ করেছিল।
ক্যান্সার জয় করে জার্মানির রক্ষাকর্তা আন-ক্যাথরিন বার্গার
রিভার প্লেটে হেরে গেল বার্সেলোনা