লিওনেল মেসিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল জনপ্রিয়তা লাভ করছে বলে মনে করেন অনেকেই। শুধু আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের খেলা দেখতেই মেজর সকার লিগের (এমএলএস) গ্যালারি ভরে ওঠে। সেই মেসিকেই এক ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে এমএলএস কর্তৃপক্ষ। তাকে ছাড়া বাংলাদেশ সময় রবিবার ভোরে এমএলএসের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এফসি সিনসিনাতির সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে ফ্লোরিডার ক্লাবটি।
গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ও মেক্সিকোর লিগা এমএক্সের অলস্টার একাদশের মধ্যকার একটি প্রীতি ম্যাচে খেলেননি লিওনেল মেসি ও ডেভিড আলবা। প্রাথমিক স্কোয়াডে থাকা কোনো খেলোয়াড় ইনজুরিতে না পড়া সত্ত্বেও অলস্টার ম্যাচে না খেলায় এমএলএসের নিয়মানুযায়ী দুজনকে এক ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়। তাই আজকের ম্যাচে তারা খেলতে পারেননি।
ম্যাচ শেষে মেসির নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান মায়ামি কোচ হাভিয়ের মাশ্চেরানো, ‘আমি এখানে এমএলএস বা এর নিয়মের সমালোচনা করতে আসিনি। আমি এই সিদ্ধান্তের সাথে সম্পূর্ণ একমত নই, তবে আমরা মানিয়ে নিয়েছি। আমরা স্পষ্টতই জয়ের যোগ্য ছিলাম, এবং এখন আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমি অন্যদের সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করি না। কিন্তু যখন একদিন কিছু বলা হয় এবং পরের দিন সেটার বিপরীত ঘটে, তখন সেটা খুব অদ্ভুত লাগে।’
এরপরই এমএলএসে মেসির গুরুত্ব তুলে ধরে মাশ্চেরানো আরও বলেন, ‘মেসি প্রচুর সংখ্যক ম্যাচ খেলেছে। যখন টিকিট বিক্রি বা স্টেডিয়াম ভর্তি করার প্রসঙ্গ আসে, তখন তো কেউ (মেসির বিরুদ্ধে) অভিযোগ করে না। কিন্তু এখন যেহেতু আমাদের একটি হোম ম্যাচ ছিল, তাই তাকে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে? আমরা যদি বাইরে খেলতাম, তখন তারা কি একই কাজ করত? এটা হতাশাজনক।’
সিনসিনাতির সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের কারণ নিয়ে মাশ্চেরানো বলেন, ‘আজ আমাদের ফিনিশিংয়ে ঘাটতি ছিল। পাঁচ-ছয়টি সুস্পষ্ট সুযোগ তৈরি করেছিলাম, তবে তাদের গোলকিপার ভালো করেছে। আমরা সম্প্রতি অনেক গোল করছি। আজ মেসি মাঠে ছিল না এবং অবশ্যই আমরা তার অভাব অনুভব করেছি। তবে সামগ্রিকভাবে পারফর্মেন্স বেশ ভালো ছিল, যদিও আমাদের এখনও উন্নতির সুযোগ আছে।’
মেসি নেই, মায়ামির হয়ে গোল করারও কেউ নেই!
রিশাভ পান্ত কি ভাঙা পায়ে দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং করবেন?
স্পিড, স্ট্যামিনা, স্কিল—স্টোকসই এখন ইংল্যান্ডের সেরা পেসার