ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স রিভিউয়ের রায় ৬ আগস্ট

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২৫, ০৭:৪৩ এএম

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ (রায় পুনর্বিবেচনা) আবেদনের ওপর রায় জানা যাবে ৬ আগস্ট। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শুনানি নিয়ে গতকাল বুধবার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বেঞ্চ এদিন ধার্য করেন। গত ২৭ এপ্রিল এ বিষয়ে শুনানি শুরু হয়। রিভিউ আবেদনকারী মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালাউদ্দিন দোলন। রিটকারী পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী। ইন্টাভেনর (ব্যাখ্যাকারী) হিসেবে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ‘রুলস অব বিজনেস’ অনুযায়ী, ১৯৮৬ সালে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স তৈরি করে ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে এটি সংশোধনও করা হয়। ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক পদ, সাংবিধান কর্র্তৃক স্বীকৃত ও সংজ্ঞায়িত পদগুলো প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিচের ক্রমিকে রাখা হয়েছেÑ এমন উল্লেখ করে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে ২০০৬ সালে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে একটি রিট আবেদন করা হয়।

২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি আট দফা নির্দেশনাসহ ১৯৮৬ সালের ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স (সংশোধিত) অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেয় হাইকোর্ট। এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি আপিল বিভাগ এক রায়ে হাইকোর্টের দেওয়া আট নির্দেশনা সংশোধন করে তিন দফা নির্দেশনা দেয়। সেগুলো হলোÑ ১. যেহেতু সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন, তাই বিরোধপূর্ণ প্রিসিডেন্সে সাংবিধানিক পদধারীরা অগ্রাধিকার পাবেন ২. জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্য হিসেবে জেলা জজ ও সমপদমর্যাদাসম্পন্নরা সরকারের সচিবদের সঙ্গে ১৬ নম্বরে অবস্থান করবেন ৩. জেলা জজদের পরেই অতিরিক্ত সচিবরা থাকবেন ১৭ নম্বর ক্রমিকে।

পরে আপিল বিভাগের এমন রায় রিভিউ চেয়ে আবেদন করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত