বার্সেলোনার ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার রাফিনহা ইংল্যান্ডের তারকা মার্কাস রাশফোর্ডের আগমনকে স্বাগত জানিয়েছেন। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে ধারে এক মৌসুমের জন্য বার্সায় যোগ দিয়েছেন রাশফোর্ড। তার আগমনে বার্সার আক্রমণভাগ আরও শক্তিশালী হয়েছে—যেখানে এরই মধ্যে রয়েছেন রাফিনহা, লামিন ইয়ামাল এবং রবার্ট লেভানডফস্কির মতো ফুটবলাররা।
খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়বে কিনা**—এমন প্রশ্নে রাফিনহা স্প্যানিশ দৈনিক *দিয়ারিও স্পোর্ত*-কে বলেন, “এই জার্সি পরে, এই ক্লাবের হয়ে খেলতে হলে সব ধরনের প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়। আমার মতে, যত বেশি প্রতিযোগিতা থাকবে, ততই ভালো। কারণ এতে একজন আরেকজনকে উন্নত করতে সাহায্য করে, আর ট্রফি জিততে গেলে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
গত মৌসুমকে নিজের ক্যারিয়ারের সেরা সময় হিসেবে দেখছেন রাফিনহা। ৫৬ ম্যাচে তিনি করেন ৩৪ গোল ও ২৫টি অ্যাসিস্ট। বার্সা ঘরে তোলে লা লিগা, কোপা দেল রে ও স্প্যানিশ সুপার কাপ।
চ্যাম্পিয়নস লিগ এখন ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ
রাফিনহা বলেন, “প্রশিক্ষণ, খেলা—সবকিছুর মধ্য দিয়েই আমি নিজের সেরা রূপ খুঁজে বের করার চেষ্টা করি। গত মৌসুমটি আগের চেয়ে ভালো ছিল, এবার আরও ভালো করার চেষ্টা করব।”
ইউরোপের সর্বোচ্চ ক্লাব প্রতিযোগিতায়ও তার পারফরম্যান্স ছিল চোখধাঁধানো—১৪ ম্যাচে ১৩ গোল ও ৯ অ্যাসিস্ট, যেখানে বার্সা পৌঁছেছিল সেমিফাইনালে।
২০১৫ সালের পর বার্সা আর চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে পারেনি। এই ট্রফিটি এবার নিজেদের ঘরে তুলতে চান রাফিনহা, “এই শিরোপাটা আমার ক্যারিয়ারের ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ। ক্লাবেরও অন্যতম লক্ষ্য এটি। আমি আমার সর্বোচ্চটা দেব, এবং নিশ্চিতভাবেই দলের সবাই একই রকম চিন্তা করছে।”
২৮ বছর বয়সী রাফিনহা সম্প্রতি নিজের চুক্তি আরও এক বছর বাড়িয়ে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত করেছেন। তবে তিনি আরও দীর্ঘ সময় বার্সেলোনায় থাকতে চান।
''যদি ক্লাব আমাকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে, আমি যতদিন পারি এখানে থাকতে চাই। অবশ্য যদি কখনো দেখি আমি আগের মতো খেলতে পারছি না, বা দলকে যথেষ্ট অবদান রাখতে পারছি না—তাহলে নিজেই সরে দাঁড়াবো। তবে এখন পর্যন্ত শারীরিক ও ট্যাকটিক্যাল দিক থেকে নিজেকে ভালো অবস্থায় মনে করছি।”
আরও ভালো করার পথে তার মূল লক্ষ্য চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়। গত ১০ বছরে ইউরোপ সেরার মঞ্চে সাফল্য পায়নি বার্সেলোনা। এই ক্লাবের জার্সিতে পাঁচটি শিরোপাজয়ী রাফিনিয়াও ক্যারিয়ারে এখনও পাননি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বাদ। নতুন মৌসুমে সেই অপেক্ষা ঘুচিয়ে দিতে তিনি মরিয়া।
ক্রিকেটাররা এখন কোচ হতে আগ্রহী হয়ে উঠছে: হাবিবুল