সুন্দরবনের ডিম্বাকৃতি বাদামী সুন্দরী ফল এখন কুয়াকাটা উপকূলে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সমুদ্রের ঢেউয়ে ভেসে আসা এই ফল শুকিয়ে রান্নার কাজে লাগাচ্ছে শত শত পরিবার। যা কিছুটা হলেও লাঘব করছে উপকূলবাসীর জ্বালানি সংকট।
কুয়াকাটার গঙ্গামতি, লেম্বুরবন, তিন নদীর মোহনায় দেখা গেছে, উপকূলের নারীরা ফলগুলো রোদে শুকিয়ে এর ভেতরের বিচি ফেলে দিয়ে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহার করছে। আগে যেখানে মরা গাছের ডালপালা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হতো, বন ধ্বংসের কারণে এখন তা দুর্লভ হয়ে গেছে।
লেম্বুরবন এলাকার নুরুননাহার বলেন, আগে বন থেকে লাকড়ি আনতাম, এখন সে বন আর নেই। গ্যাস কিনে রান্না করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই এই সুন্দরী ফলই এখন ভরসা।
কুয়াকাটা ট্যুর গাইড মো. সোলায়মান বলেন, ৩০ কিলোমিটার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন জায়গায় এই ফল দেখা যায়। এগুলো না কুড়িয়ে নিলে সমুদ্রে ভেসে চলে যায়।
বন বিভাগের বিট কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, বনের অংশ কমে যাওয়ায় জ্বালানির জন্য সংকট দেখা দিয়েছে। সুন্দরী ফল প্রকৃতির একটি উপহার, না নিলে আবার সাগরে ভেসে যাবে।
