ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের মেঘনা নদী এখন অবৈধ অস্ত্রের মহড়া ও বালু সন্ত্রাসীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। নদীতীরবর্তী চরলাপাং, মানিকনগর, সাহেবনগরসহ অসংখ্য গ্রাম দিনরাত শতাধিক খননযন্ত্রের গর্জনে কাঁপছে। ফসলি জমি, মসজিদ-মাদরাসা ও শত শত ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। অথচ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকায়।
সরকারি নথি অনুযায়ী, নাসিরাবাদ বালুমহাল ৮ কোটি ৯৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছে সাহেবনগরের শাখাওয়াত হোসেনের প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স সামিউল ট্রেডার্স’। কিন্তু ইজারার শর্ত মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে না। বরং রাতদিন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। এই বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে আশপাশের উপজেলা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শতাধিক প্রভাবশালী নেতাকর্মী।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ‘স্বর্ণমহল’ খ্যাত এই বালুমহলকে ঘিরে চলে সশস্ত্র পাহারা। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে জীবননাশের হুমকির মুখে পড়তে হয়।
সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মেহেদি হাসান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এখনই ঐক্যবদ্ধ না হলে চরলাপাং, মানিকনগরসহ আশপাশের গ্রামগুলো মানচিত্র থেকে মুছে যাবে।
অভিযোগ অস্বীকার করে ইজারাদার শাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা সরকারি নিয়ম মেনেই কাজ করছি। অস্ত্র মহড়া কিংবা রাতের বালু উত্তোলনের অভিযোগ সঠিক নয়। প্রশাসনকে বলেছি, রাতে কোনো ড্রেজার চললে তা জব্দ করতে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজীব চৌধুরী জানান, তার কাছে বালুমহলে অবৈধ কর্মকাণ্ডের একাধিক অভিযোগ এসেছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে সেখানে অভিযান পরিচালনা জটিল, কারণ মাঝেমধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে। তবে শিগগিরই যৌথ বাহিনী নিয়ে অভিযান চালানো হবে।
বান্দরবানে অবৈধ ৬ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন
ঝা/ড়ু মি/ছি/লে ইশরাককে নিয়ে স্লোগান, জানেনা কেনো এসেছে!