শুল্ক নিয়ে জটিলতা কেটে যাওয়ায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে গত ৭দিন ধরে আটকে থাকা আমাদনিকৃত ভারতীয় চালের খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এসব চাল খালাস শুরু হলে বাজারে পণ্যটির সরবরাহ বাড়লে চালের দাম কমে আসবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুর থেকে সিআ্যন্ডএফ এজেন্টগন আমদানিকৃত চাল খালাসের জন্য বিলঅবএন্ট্রি সাবমিট শুরু করছেন। এতে করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আমদানিকৃত চাল পরীক্ষণ শুল্কায়ন করে ছাড়করন দিচ্ছেন। আমদানির অনুমতি দেওয়ায় প্রায় চার মাস বন্ধের পর গত মঙ্গলবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি শুরু হলেও শুল্ক জটিলতার কারণে গত সাতদিন ধরে বন্দরে ৮৮টি ট্রাকে ৩হাজার ৮৫৯টন চাল আটকা ছিল। চাল আমদানিতে শুল্ক ৬৩.৫ভাগ থাকায় চাল খালাস নিচ্ছিলনা আমদানিকারকরা। শুল্ক কমিয়ে ২ভাগ নির্ধারণ করে কাস্টমসের সার্ভারে আপলোড করা হলে চাল খালাস শুরু হয়।
হিলি স্থলবন্দরের সিআ্যন্ডএফ এজেন্ট রাশেদ ইসলাম বলেন, “গতকাল কাস্টমসের সার্ভারে চালের উপর থেকে শুল্ক ৬৩.৫ ভাগ থেকে কমে ২ভাগ করার বিষয়টি আপলোড হয়। এরপর আজ সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে চাল খালাসের জন্য এনওসিসহ সকল কাগজপত্র দিলে আমরা আজ দুপুরের পর কাস্টমসের বিলঅবএন্ট্রি সাবমিট শুরু করেছি। আমাদের মত অন্যান্য আমদানিকারকরাও চাল খালাসের জন্য বিলঅবএন্ট্রি সাবমিট করছেন। সেই সাথে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ২ভাগ শুল্ক আদায় পূর্বক চাল ছাড়করন দিচ্ছে। এতে করে বন্দরে গত সাতদিন ধরে যেসব চাল আটকা ছিল সেগুলো খালাস শুরু হয়েছে।”
হিলি স্থলশুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন বলেন, “গতকাল পর্যন্ত চাল নিয়ে যে এসআরও সংক্রান্ত জটিলতা ছিল আজকে থেকে সেই জটিলতা কেটে গেছে। চালের উপর যে শুল্ক ছিল ৬৩.৫ভাগ সেটি থেকে অব্যাহতি দিয়ে শুধুমাত্র ২ভাগ অগ্রিম আয়কর প্রদান করে চাল খালাস নিতে পারবেন আমদানিকারকরা। ইতোমধ্যেই সিআ্যন্ডএফ এজেন্টগন আমদানিকৃত চাল খালাসের জন্য বিলঅবএন্ট্রি সাবমিট করছেন। আমরা সেগুলো পরীক্ষণ শুল্কায়ন করে ২ভাগ যে শুল্ক রয়েছে সেটি আদায় পূর্বক ছাড়করন দিচ্ছি। এখন থেকে আমদানিকারকরা ২ভাগ শুল্ক দিয়ে চাল খালাস নিতে পারবেন।”
