রাজস্ব আদায়ে শুকর চাষের জন্য ময়লা ফেলা জমি ইজারা দেয় খুলনা সিটি কর্পোরেশন। নগরীর রাজবাঁধের ওই ২০ একর জমির ইজারার মেয়াদ গত জুনে শেষ হলেও এখনো নতুন করে হয়নি। অথচ ওই জমিতে চাষ হচ্ছে শত শত শুকর।
অভিযোগ উঠেছে, ইজারা ছাড়া অনৈতিক সুবিধায় কর্পোরেশনের সম্পত্তি শাখা সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের এ সুযোগ করে দিয়েছে। ফলে তারা সবাই লাভবান হলেও রাজস্ব হারাচ্ছে কর্পোরেশন।
কর্পোরেশন সূত্রে জানা যায়, খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের রাজবাঁধে সিটি কর্পোরেশনের মালিকানাধীন ২০ একর জমি রয়েছে। প্রতিদিন শহরে সৃষ্ট ময়লা সংগ্রহ করে ট্রাকে করে ওই জমিতে ফেলা হয়। এ কারণে জমিটি শুকর পালনের জন্য উপযুক্ত হওয়ায় প্রকাশ্য ডাকের মাধ্যমে প্রতি বছর ইজারা প্রদান করে কর্পোরেশন।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় জমিটি পায় সুবোধ তরফদার। চলতি বছর জুনে ইজারার মেয়াদ শেষ হলেও নতুন কাউকে ইজারা দেয়নি কর্পোরেশন। কিন্তু জমিতে শত শত শুকরের চাষ হচ্ছে, এ নিয়ে ক্ষুব্ধ অন্য ব্যবসায়ীরা।
কাজল নামের এক শুকর ব্যবসায়ী অভিযোগ করে জানান, ইজারা মেয়াদ শেষ হলে নতুন ডাকের জন্য ঘোষণা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। অথচ কর্পোরেশন কোনো বিজ্ঞপ্তি ঘোষণা দেয়নি। কর্পোরেশনের সম্পত্তি শাখার সংশ্লিষ্টরা অনৈতিক সুবিধা পেয়ে গোপনে তাপস মণ্ডল নামের একজন ব্যবসায়ীকে শুকর চাষের সুযোগ করে দিয়েছে। এতে কর্পোরেশন রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে তাপস মণ্ডল নামের ওই ব্যবসায়ী বলেন, ডাকে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে তিনি পেয়েছেন। সেকারণেই তিনি শুকর চাষ করছেন।
তবে কর্পোরেশনের সহকারী এস্টেট অফিসার মাসুদ আলী বলেন, চলতি বছর ২৮ মে প্রকাশ্যে ডাক দেওয়া হয়। ডাকে সর্বোচ্চ দর পড়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার। কিন্তু ইজারার প্রশাসনিক অনুমোদন মেলেনি।
এছাড়া কর্পোরেশনের সম্পত্তি শাখার কেউ কোনো অনৈতিক সুবিধা নেয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
‘কিছু নাবালক বলে বেড়াচ্ছে নির্বাচন হবে না’
কাউন্টারে হামলা-ভাঙচুর, ময়মনসিংহে বাস চলাচল বন্ধ
গাজীপুরে বিতর্কিত শিক্ষা অফিসারের বদলির আদেশে এলাকায় মিষ্টি বিতরণ