ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে লামিয়া আকতার নামে ১৪ বছর বয়সী এক গৃহবধূর রহস্য জনক মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (২৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার কোষামন্ডলপাড়া গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বামী’র দাবী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে আর গৃহবধূর স্বজনদের দাবি নিজেদের আড়াল করতে তাকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই গৃহবধূর স্বামী বাদল ইসলামকে আটক করেছে।
এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার কোষামন্ডলপাড়া গ্রামের বাদশা আলমের ছেলে বাদল ইসলাম ও উপজেলার থুমনিয়া শাহাপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলামের সঙ্গে ১৪ বছর বয়সী লামিয়ার ৮ মাস আগে এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে হয়। ছেলে পক্ষ এ বিয়ে মেনে নিলেও মেয়ে পক্ষ মেনে নেয়নি। এ অবস্থায় কোষামন্ডলপাড়ায় নিজ বাড়িতে সংসার
করে আসছিল বাদল ও লামিয়া। অন্যান্য দিনের মত শনিবার রাতে খাওয়া শেষে ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে তারা। রাতে লামিয়া ঘরের তীরের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে ভোর রাতে প্রচার চালায় তার স্বামী বাদল। এলাকার লোকজন এসে লামিয়াকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। খবর পেয়ে সকালে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী বাদল ইসলামকে আটক করে থানায় আনা হয়। বাদলের দাবি তার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে। তবে লামিয়ার পিতা রবিউল এবং চাচা ফজলুল
হকের দাবি লামিয়াকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালানো হচ্ছে।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম জানান, গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঐ গৃহবধূর স্বামীকে আটক করা হয়েছে।
প্রথমবার একসঙ্গে ইমন-ফারিয়া
শত রোহিঙ্গার মতামত গ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু