দুই বছর কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরলেন ভারতে পাচার হওয়া ১৭ বাংলাদেশি কিশোর-কিশোরী। এর মধ্যে ১০ জন কিশোর ও ৭ জন কিশোরী। বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে।
যাদের হস্তান্তর করা হয়েছে তারা হলো দীপা মনি (১৫), মইন খান (১৩), নুরু আলম (১৫), হৃদয় মন্ডল (১৫), ইমরান শেখ (১৭), মেহেদী হাসান (১৭) নাইদ মোড়ল (১৯), ফয়সাল শেখ (১৩), রানা (১৭), মালিকা রানী (১৭), শামীমা আক্তার(১৪), শারা জান্নাত (১৮), ইমু খাতুন (১৪), মিথিলা আক্তার (১৭), সায়েম জোমাদ্দার (১০), কোমল সরদার (২১) ও নুরজাহান খাতুন (১৮)।
তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জ, হবিগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, কুষ্টিয়া, লক্ষ্মীপুর, খুলনা, নড়াইল, বাগেরহাট, লালমনিরহাট, কিশোরগঞ্জ, রাঙ্গামাটি, লক্ষ্মীপুর, পাবনা, বাগেরহাট ও নওগাঁ জেলার বাসিন্দা।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন মুন্সী বলেন, ভালো কাজের আশায় তিন বছর বছর আগে তারা দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতে মুব্বাই ও চেন্নাই গিয়েছিল। সেখানে পুলিশের হাতে আটক হয় তারা। এরপর অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সে দেশের আদালত তাদের দুই বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়। কারাভোগ শেষে ভারতের তিনটি এনজিও সংস্থা কিশলয় হোম, সুকর্না হোম, লিলুয়া হোম তাদের দায়িত্ব নিয়ে শেল্টারহোমে রাখে। পরে উভয় দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে আজ বুধবার বিকেলে তারা দেশে ফিরে।
ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে তিনটি এনজিও সংস্থা- জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, রাইটস যশোর, মহিলা আইনজীবী সমিতি তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।
রাইটস যশোরের সাইকোসোস্যাল কাউন্সিলর জাওয়াদুল করিম জানান, ফেরতদের বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
৫ দফা দাবি দিল প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা, আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চলবে