২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টিতে প্রতি ম্যাচে ৫.০৮টি করে ছক্কা মেরেছেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। চলতি বছরে সেটা লাফিয়ে বেড়ে গেছে ৭.৭৩—এ। বদলে যাওয়া বাংলাদেশের হয়ে চলতি বছরে তানজিদ তামিম ২৪, পারভেজ ইমন ২৩, জাকের আলী অনিক ২৭ ও শামীম পাটোয়ারি ২৪টি ছক্কা মেরেছেন। তবে এশিয়া কাপে শুধু ছক্কা মারার জন্যই ব্যাটারদের প্রভাবিত করছেন না অধিনায়ক লিটন দাস। বরং প্রতিপক্ষ দেখে স্মার্ট ক্রিকেট খেলার পরামর্শ দিয়েছেন সতীর্থদের।
এশিয়া কাপে বৃহস্পতিবার হংকংয়ের সংগে ম্যাচের আগে সংবা সম্মেলনে লিটন বলেন, ‘অবশ্যই, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আপনি যখন বড় বড় ছয় মারবেন এটা একটা প্লাস পয়েন্ট। আপনি জানেন যেকোনো বিপদে, পরিস্থিতি থেকে আপনি বের হয়ে আসতে পারবেন। কিন্তু একই সঙ্গে আপনাকে এটা বুঝতে হবে প্রতি ম্যাচে ছয় মারলেই চলবে না। আপনাকে বুঝতে হবে বাউন্ডারি কতখানি আছে, প্রতিপক্ষ কেমন। আমার মনে হয় আমাদেরকে স্মার্ট ক্রিকেট খেলতে হবে, শুধু ছয় মারার চেষ্টা না করে।’
সবশেষ কয়েকটি সিরিজে ব্যাটে হাতে আলো ছড়িয়েছেন বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যাটাররা। মাঝে মাঝে সুযোগ এলেও সেটা কাজে লাগাতে পারেননি মিডল অর্ডার ব্যাটাররা। নেদারল্যান্ডস সিরিজে মিডল অর্ডার ব্যাটাররা সেভাবে সুযোগও পাননি। তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেলেও তাওহীদ হৃদয়রা প্রত্যাশিত ব্যাটিং করতে পারেননি। যদিও এসব নিয়ে চিন্তিত নন লিটন।
বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক বলেন, ‘আপনি কয়েকটা গেইম যদি দেখেন সাম্প্রতিক সময়ে—আমরা টপ অর্ডাররা খুব ভালো পারফরম্যান্স করেছি। মিডল অর্ডারের হাতে খুব বেশি একটা দায়িত্ব আসেনি। আমি বিশ্বাস করি মিডল অর্ডারের হাতে যখনই দায়িত্ব আসবে তারা ঘুরে দাঁড়াবে। আগেও করেছে এবং তারা করে দেখাবে।’
অঘটনের হুমকি দেয়া আমিরাত ৫৭ অলআউট, ২৭ বলে ম্যাচ জিতল ভারত