মাদারীপুরের শিবচরে চাঞ্চল্যকর রানু বেগম (৬০) নামের এক বৃদ্ধা হত্যা মামলার আসামি কাজী রাসেল মাহমুদ ওরফে সবুজকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্প। বৃহস্পতিবার বিকেলে পাচ্চর এলাকার চরকান্দি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আসামি কাজী রাসেল মাহমুদ ঢাকার ইব্রাহিমপুর থানার পশ্চিম শেওড়াপাড়ার মৃত কাজী কেরামত আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি শিবচরের যাদুয়রচর এলাকায় বসবাস করেন। আগে নিহত রানু বেগমের বাড়িতে ভাড়া ছিলেন তিনি।
শুক্রবার সকালে র্যাব-৮, সিপিসি-৩, মাদারীপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার, পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাব জানিয়েছে, ৯ মাস পূর্বে রাসেল মাহমুদ ওরফে সবুজ বৃদ্ধা রানু বেগমের ঘরের একটি কক্ষ ভাড়া নেন। এরপর পর একবার রানু বেগমের ঘরে চুরির ঘটনা ঘটলে ভাড়াটিয়া রাসেলকে সন্দেহ করতে শুরু করেন রানু বেগম। ৪ মাস ভাড়া থাকার পর এক পর্যায়ে এ নিয়ে মনমালিন্যের সৃষ্টি হয় উভয়ের মধ্যে। বিষয়টি নিয়ে রাসেল মাহমুদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। এই ক্ষোভ থেকেই গত ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বৃদ্ধার রান্না ঘরে গোপনে অবস্থান করেন রাসেল। রাত ১১টার দিকে ঘরে ঢুকে হাতে ও গলায় আঘাত করে হত্যা করে রানু বেগমকে। পরে ঘরে থাকা দুটি মোবাইল ফোন, কানের দুল, রাইস কুকার, কাপড়-চোপড়সহ কিছু নগদ টাকা লুট করে পালিয়ে যান তিনি। র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য দেন হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত রাসেল মাহমুদ।
মাদারীপুর র্যাব ৮ এর কোম্পানি কমান্ডার মীর মনির হোসেন জানান, মামলার পরই র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। গোপন সংবাদ ও তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে জড়িতকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে বিষয়টি তীব্র ক্ষোভ থেকে হত্যা সংঘটিত হয়েছে বলে জানা যায়।
সারাদেশে সপ্তাহজুড়েই বৃষ্টির সম্ভাবনা
চাচিকে জবাই করে হত্যার পর ঘরে লুকিয়ে ছিল ভাতিজা