হামাসকে সতর্কবার্তা ট্রাম্পের

শান্তি পরিকল্পনা মেনে নাও, ইসরায়েলের পেছনে আমার পূর্ণ সমর্থন আছে

আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০১:৩২ এএম

গাজা নিয়ে শান্তি পরিকল্পনায় একমত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এই পরিকল্পনা মেনে নিতে হামাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। অন্যথায় ইসায়েলের প্রতি তার পূর্ণ সমর্থন আছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সোমবার বৈঠক শেষে প্রেস কনফারেন্সে এসব কথা বলেছেন ট্রাম্প।

বিবিসি জানিয়েছে, ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর আলোচনায় গাজায় শান্তি পরিকল্পনা সংক্রান্ত ২০ দফা প্রস্তাবনা উত্থাপন করা হয়েছে। উভয়েই ২০ দফার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। তবে হামাসের পক্ষ থেকে এখনো এই প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়া হয়নি।

প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম ধাপেই সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং বর্তমান ‘যুদ্ধক্ষেত্রের সীমারেখা’ অপরিবর্তিত থাকবে।

পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, হামাসকে অস্ত্র আত্মসমর্পণ করতে হবে এবং তাদের আক্রমণাত্মক অস্ত্র ধ্বংস করা হবে। এছাড়া, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হামাসকে ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি জিম্মি ও মৃত বলে ধারণা করা আরও দুই ডজনের বেশি ব্যক্তির মরদেহ ফেরত দিতে হবে।

এই জিম্মিদের মুক্তির পর ইসরায়েল শত শত বন্দি ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেবে। একই সঙ্গে উভয় পক্ষ পরিকল্পনায় সম্মত হলে গাজা উপত্যকায় অবিলম্বে পূর্ণমাত্রায় ত্রাণ সহায়তা পাঠানো হবে।

গাজার ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, একটি ‘প্রযুক্তিনির্ভর, অরাজনৈতিক ফিলিস্তিনি কমিটি’ অস্থায়ীভাবে শাসন করবে, যা তদারকি করবে একটি নতুন আন্তর্জাতিক অন্তর্বর্তী সংস্থা—বোর্ড অব পিস—যার নেতৃত্বে থাকবেন ট্রাম্প।

এতে আরও বলা হয়েছে, এই শাসনে কোনোভাবেই, সরাসরি অথবা পরোক্ষভাবে, হামাসের কোনো ভূমিকা থাকবে না।

পরিকল্পনার বড় অংশ জুড়ে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ‘অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা’ যার মাধ্যমে গাজা পুনর্গঠন করা হবে। এতে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েল গাজা দখল বা সংযুক্ত করবে না এবং তাদের বাহিনী ধাপে ধাপে অঞ্চল থেকে সরে যাবে।

এই পরিকল্পনায় ভবিষ্যতে একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাও উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত