গাজীপুরের শ্রীপুরে গহীন বনের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া (মরদেহ) শিশু যৌন নির্যাতনে শিকার হয়ে খুন হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে। ঘটনার একদিন পর পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত একজনকে আটক করেছে।
এ ঘটনায় শ্রীপুর থানা পুলিশ সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে শনিবার বিকালে গোসিংগা ইউনিয়নের চাউবন এলাকার গজারি বনের ভেতর থেকে আবুবক্কর হুজাইফা (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই শিশু একই গ্রামের হারুন অর রশীদের ছেলে। বনের ভেতর কাঠবাদাম আনতে গিয়ে যৌন নির্যাতনে শিকায় হয় শিশু হুজাইফা।
পরে যৌন নির্যাতনকারী শ্বাসরোধে করে তাকে হত্যা করে বনের গহীনে লাশ ফেলে রাখে। শিশুটি চাউবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পরে পুলিশ এ নিয়ে তদন্ত শুরু করলে বের হয়ে আসে যৌন নির্যাতনের ঘটনাটি। এ ঘটনায় জড়িত সোহাগ মিয়া (১৭) নামে একজনকে পুলিশ আটক করেছে।
নিহতের স্বজনরা জানান শনিবার সকালে খেলার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে বিকাল অবধি আর বাড়ি ফিরে আসেনি আবুবক্কর হুজাইফা। পরে সবখানে খোঁজাখুজি করেও তার হদিস পাওয়া যায়নি। এক সময় বনের ভিতরে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে লোকজন খবর দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেন।
শ্রীপুর মডেল থানার ওসি মহম্মদ আবদুল বারিক জানান, খবর পেয়ে বনের ভেতর থেকে পুলিশ ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছিল। পরে হত্যার রহস্য উৎঘাটন করতে গিয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয় ওই শিশু যৌন নির্যাতনে শিকার হয়েছিল। এমন সূত্র নিয়ে কাজ করে পুলিশ একজনকে আটক করে। পরে আটকৃত ব্যক্তি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
তিনি বলেন যৌন নির্যাতনের পর শিশুর শ্বাসরোধ করে খুন করে লাশ বনের ভিতরেই ফেলে রাখা হয়। আটকৃতকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
