যমুনা রেল সেতুর পিলার: কর্তৃপক্ষের দাবি নির্মাণ ত্রুটি নয় তাপমাত্রার ফাটল

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৫, ০৬:৪৬ পিএম

যমুনা রেলসেতুর পিলারের নিচে বেশ কিছু জায়গায় চুলাকৃতি ফাঁকা বা ‘হেয়ার ক্র্যাক’ দৃশ্যমান হয়েছে। সেতুর পশ্চিম প্রান্তে আট-দশটি পিলারের নিচে ইতিমধ্যেই হেয়ার-ক্রাকের ফাঁকা স্থানগুলো ঘষে ঘষে রেজিন বা আঠার প্রলেপ দিয়ে মেরামতের প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, এরই মধ্যে পিলারের ফাটলের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সিরাজগঞ্জের ‘আমাদের কামারখন্দ’ বাংলাদেশ রেলওয়ে হেল্প লাইনসহ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই ছবি বৃহস্পতিবার ভাইরাল হয়।

ফেসবুকে হঠাৎ ভাইরাল হওয়ায় বেকায়দায় পড়ে যমুনা রেল সেতু কর্তৃপক্ষ৷ তবে কর্তৃপক্ষের দাবি এগুলো ফাটল নয়, বরং প্রচন্ড গরমের কারণে সৃষ্ট হেয়ারক্রাক বা চুলাকৃতি ফাঁকা। যা ক্ষতিকারক নয়।

এদিকে, বৃহস্পতিবার বিকালে যমুনা রেল সেতু কর্তৃপক্ষের প্রজেক্ট ম্যানেজার ফরাসি প্রকৌশলী মার্ক হ্যাবি বলেন, ‘এটি আমাদের কাজের কোন ত্রুটি নয়। এমনকি নির্মাণ ত্রুটির কারণে হানিকম্ব হয়েছে তাও নয়। প্রচন্ড গরম বা বৈরী আবহাওয়ার কারণে সেতুর নিচে শূন্য দশমিক ১ থেকে ৩ মিলিমিটার পর্যন্ত ক্ষুদ্র আকৃতির হেয়ার ক্র্যাক বা চুলাকৃতি ফাঁকা সৃষ্টি হয়েছে। যা মোটেও সেতুর কংক্রিটের অবকাঠামো বা স্থাপনার জন্য ক্ষতিকর বিষয় নয়। রেজিন বা আঠার মিশ্রণ দিয়ে এগুলো একে একে রিপেয়ার করা হবে। এই ফাটল সেতুর কাঠামো বা ট্রেন চলাচলে কোন প্রভাব ফেলবে না।’

তিনি আরো বলেন, কে বা কারা একেবারেই অসৎ উদ্দেশ্যে ছবি তুলে কৌশলে বড় করে বা ফাঁকা স্থানগুলো আরো বড় দেখিয়ে বিশেষ উদ্দেশ্যে যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে।

যমুনা সেতুর ৩০০ মিটার উজানে ১৬৭৮১ কোটি টাকা ব্যায়ে সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল অংশে ৫০টি পিলার আর ৪৯টি স্প্যানে নির্মাণ করা হয় দেশের বৃহত্তম যমুনা রেলসেতু। ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটারের এই সেতু ২০২৪ সালের ১৮ই মার্চ উদ্বোধন করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত