ফেনীর সোনাগাজীতে বিয়ের ১৭ দিন পর মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) উপজেলার চরছান্দিয়া ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের এনামুল হক হুজুরের বাড়ি থেকে অপহরনের এ ঘটনা ঘটে। ওই ছাত্রী স্থানীয় ওয়ালি আল হায়দারিয়া মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত।
এ ঘটনায় ছাত্রীর মা নাজমা আক্তার বাদি হয়ে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে সোনাগাজী মডেল থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৬ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন, চরছান্দিয়া ইউনিয়নের ভুঞাবাজার সংলগ্ন হাড়িয়াগো বাড়ির সাগর,একই এলাকার কাজল, একই ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের দুই ভাই আজাদ ও ওহিদ,চরদেবেশ ইউনিয়নের প্রবাসীনগর এলাকার সিফাত।
মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ অক্টোবর রাতে অভিযুক্তরা মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপরহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সকালে বাদি মেয়ের খোঁজে সোনাগাজী পৌরসভার কোর্ট এলাকার ৫ নম্বর আসামি কাজলের ভাড়া বাসায় গিয়ে মেয়ের সন্ধান চাইলে তাকে চুপ থাকতে বলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরদিন ভিকটিমের মা সোনাগাজী মডেল থানায় নিখোঁজ ডায়েরী করেন। পরে অভিযুক্তরা ভিকটিমকে চট্টগ্রামের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায় এবং ১ নম্বর আসামি সাগর তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে ভিকটিমের পরিবারের কাছে ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। বিষয়টি তারা থানায় অবহিত করলে মঙ্গলবার দুপুরে চরছান্দিয়া ইউনিয়নের সওদাগরহাট এলাকা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলার বাদি জানান, তার মেয়ের ১৭ দিন আগে প্রবাসীর সাথে টেলিফোনে বিয়ে হয়। অপহরণ করে ধর্ষণের খবরে বিয়ে ভেঙ্গে যায়। তিনি অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
