পৃথক হত্যা মামলা

ময়মনসিংহে দম্পতিসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড একজনের যাবজ্জীবন

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:৩০ পিএম

ময়মনসিংহে পৃথক হত্যা মামলায় দম্পতিসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত বৃহস্পতিবার (০৬ নভেম্বর) দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে ময়মনসিংহ জেলা ও দায়রা জজ অতিরিক্ত আদালত-১ এর বিচারক মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ ও জেলা ও দায়রা জজ অতিরিক্ত আদালত-৪ এর বিচারক জয়নাব বেগম দুটি পৃথক ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন পুলিশ কনস্টেবল আলাউদ্দিন, তার স্ত্রী নাসরিন ও রুবেল। যাবজ্জীবন কারাদাণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন দ্বীন ইসলাম।

প্রথম মামলায় পরকীয়ার জেরে পুলিশ হত্যা মামলায় পুলিশ কনস্টেবল আলাউদ্দিন ও তার প্রেমিকা নাসরিনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মামুন মিয়া জানান, ২০১৪ সালে পুলিশ কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম পুলিশ কর্মকর্তা আলাউদ্দিনের স্ত্রী নাসরিনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এর জেরে আলাউদ্দিন ও নাসরিন মিলে সাইফুলকে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টা করেন। স্থানীয়দের সহায়তায় ঘটনাটি ফাঁস হলে দুজনকেই আটক করে পুলিশ।  এঘটনায় নিহত সাইফুলের মা মুলেদা বেগম কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ (১২ জন সাক্ষী) ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত বৃহস্পতিবার অভিযুক্তদের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন।

দ্বিতীয় মামলায় তারাকান্দায় এক নারী হত্যার ঘটনায় আসামি রুবেলকে মৃত্যুদণ্ড ও দ্বীন ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।

এ মামলার আদালতের বেঞ্চ সহকারী আবদুল মালেক জানান, ২০২২ সালে তারাকান্দা উপজেলায় কুলসুম নামের এক নারীকে হত্যা করে গহনা লুট করে পালানোর সময় স্থানীয়রা রুবেল ও দ্বীন ইসলামকে ধরে পুলিশে সোর্পদ করে। পরে নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান তারাকান্দা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। আদালত রায়ে রুবেলকে মৃত্যুদণ্ড  ও দ্বীন ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত