সংসদের উচ্চকক্ষে দশ আসন চান ব্যবসায়ীরা

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২৫, ০২:০৫ এএম

নির্বাচিত সরকারের কাছে সংসদের উচ্চকক্ষে ব্যবসায়ীদের জন্য ১০ শতাংশ আসন রাখার দাবি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। গতকাল সোমবার রাজধানীতে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ দাবি জানান।

এ সময় ব্যবসায়ীদের প্রতিপক্ষ নয় সহযোগী হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন শিল্পমালিকরা। পাশাপাশি জ্বালানি সংকট নিরসনসহ দ্রুত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের দাবিও জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী নেতারা। এ ছাড়া শিল্পাঞ্চল এলাকা থেকে পোশাক ব্যবসায়ীদের সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান শিল্প উদ্যোক্তারা।

সভায় বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলসহ আরও অনেকে বক্তব্য দিয়েছেন।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আগামী সংসদে দুইটি বিষয় আসবে। একটি হলো উচ্চকক্ষ আরেকটি নিম্নকক্ষ। উচ্চকক্ষে যে ১০০টি আসন থাকবে সেখানে ১০ শতাংশ শিল্প উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের নির্ধারণের জন্য আমাদের দাবি হওয়া উচিত। এদিকে গত ১৩ নভেম্বর জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন সংসদের উচ্চকক্ষে পিআর (সংখ্যানুপাতিক) পদ্ধতি থাকবে। ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, সংসদের প্রথম ১৮০ দিনে সংবিধান সংশোধন এবং পরে ৩০ দিনে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে।

গতকালের মতবিনিময় সভায় থেকে ব্যবসায়ীদের প্রতিপক্ষ নয়, ব্যবসায়ীদের সহযোগী হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়ে শিল্পমালিকরা বলেছেন, জ্বালানি সংকট নিরসনসহ দ্রুত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কাটলে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আসবে বলে মনে করেন তারা। এ ছাড়া তৈরি পোশাক শিল্পে গতি ফিরিয়ে আনতে আলাদা রোডম্যাপ তৈরির প্রস্তাব করেন খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা। এ সময় অনেক বক্তা সরকারের আমলাদের সমালোচনা করেন।

জানা গেছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সংসদের উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষে ১০ জন প্রতিনিধি চেয়েছেন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা। চলতি বছর এক জুলাই গণঅভু্যুত্থানের বর্ষপূতি উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪, জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক এুক আলোচনা সভায় তারা এ দাবি জানিয়েছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত