হানিট্র্যাপে কৃষি কর্মকর্তা, জড়িতদের বিরুদ্ধে চার্জশিট

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৪৭ পিএম

বগুড়ার কৃষি বিভাগের উপপরিচালক মশিদুল হকের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, মব সৃষ্টির চেষ্টা ও হানিট্র্যাপের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে করা নাটকীয় ধর্ষণ মামলার তদন্তের অভিযোগের সত্যতা মেলেনি। নারীর মামলা থেকে তাকে দায়মুক্তি দিয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। হানিট্র্যাপে ফেলে চাঁদা আদায় করতেই মিথ্যা মামলায় তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে বলে উল্লেখ করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।

উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, নিখুঁতভাবে তদন্ত করে আদালতে মামলার প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। বগুড়া কৃষি বিভাগের জেলাবীজ প্রত্যয়ন অফিসার (উপপরিচালক) মশিদুল হকের নামে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছিলেন রতœা পারভীন নিপা নামের এক নারী। সাক্ষ্য-প্রমাণে তার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত কৃষি কর্মকর্তাকে মামলার দায়মুক্তির জন্য গত ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, কৃষি কর্মকর্তার করা হানিট্র্যাপ, চাঁদা দাবির মামলার তদন্তে আলামত ও সাক্ষ্য পর্যালোচনা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাকে তুলে নিয়ে নারীসঙ্গের চিত্র ধারণ এবং ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জড়িত দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে গত ১০ অক্টোবর চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। তারা হলেন বগুড়া শহরের মালগ্রাম এলাকার রতœা পারভীন নিপা এবং সেউজগাড়ীর সৌরভ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত