হাড় কাঁপানো শীতে দুমকিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৪২ এএম

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় হঠাৎ মৃদু শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপযস্ত হয়ে পড়েছে। ভোর থেকে ঘন কুয়াশা ও শীতল বাতাসে মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, ভ্যানচালক ও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ছিন্নমূল পরিবারগুলো।

স্থানীয়রা জানায়, গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সকালে সড়ক ও নদীপথে যান চলাচল কমে গেছে। বাজারে ক্রেতার উপস্থিতিও কম দেখা যাচ্ছে।

দিনমজুর আ: রশিদ হাওলাদার বলেন, শীতে কাজ পাওয়া যাচ্ছে না। সকাল থেকে ঠান্ডায় শরীর কাঁপে, কাজেও যেতে পারি না।

ব্যবসায়ী ফয়সাল আহম্মেদ মৃধা বলেন, ভোরের ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন চারিদিক, সড়কে ৫০ মিটার দুরত্বে কিছু দেখা যায় না। হেডলাইট জালিয়ে গাড়ী চলাচল করছে। কনকনে শীতে মানুষ কাবু হয়ে পড়েছে।

উপজেলার বাহেরচর নদীভাঙন এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সবচেয়ে কষ্টে আছে। অনেকের ঝুপড়ি ঘরে নেই পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র। শিশু ও বয়স্করা ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

এদিকে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত কর্মকর্তা (টিএইচএ) ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীন জানান, শীতজনিত জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। চিকিৎসকরা শীত থেকে বাঁচতে গরম কাপড় ব্যবহার ও প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়ার
পরামর্শ দিয়েছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত