বহু সমস্যার সমাধান ইসবগুল, নিয়ম না মেনে খেলে বিপদ

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:১৫ এএম

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে ডায়রিয়া—সব সমস্যায় কাজে দেয় ইসবগুল। রাতে খাওয়ার পর হালকা গরম পানিতে সামান্য ইসবগুল মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, শুধু কোষ্ঠকাঠিন্য নয়, হজমের সমস্যা, ডায়রিয়া থেকে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখা—প্রাকৃতিক এই উপাদান বহু রোগ উপশম করে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ইসবগুলের পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বেশি।

শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে এটি বিশেষভাবে সাহায্য করে। এ ছাড়া ইসবগুলে ফাইবারও রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে। অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। বেশির ভাগ মানুষই ইসবগুল খান হালকা গরম পানির সঙ্গে।

তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন, উপকার পেতে হলে ইসবগুল খেতে হবে সঠিক সময়ে। শুধু পানিতে গুলে খেলেও হবে না। রোগ বুঝে কখনো ঠাণ্ডা দুধ, কখনো টক দই মিশিয়ে নিতে হবে। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে ইসবগুল সাধারণত হালকা গরম পানি মিশিয়ে খেতে বলা হয়।

তবে সমস্যা যদি গুরুতর হয়, সে ক্ষেত্রে উষ্ণ দুধ মিশিয়েও খেতে পারেন। এক কাপ দুধে এক চা চামচ ইসবগুল মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। রাতে খাবার খাওয়ার পর এই পানীয় খেয়ে ফেলুন।

ঠাণ্ডা দুধে ইসবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন যদি অম্বল বা চোঁয়া ঢেকুরের ওঠার সমস্যা থেকে থাকে। এসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা ঠেকিয়ে রাখতে এই টোটকা দারুণ কাজের।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে ইসবগুল। হালকা গরম পানিতে এই উপাদানটি মিশিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার নিয়ম জানতে হবে। যেকোনো ভারী খাবার খাওয়ার অন্তত আধঘণ্টা আগে এই পানীয় খেয়ে নিতে পারেন।

ডায়রিয়া কিংবা পেট খারাপ হলে আবার পানি কিংবা দুধের সঙ্গে ইসবগুল খেলে হবে না। বাড়িতে পাতা টক দইয়ের সঙ্গে এক চা চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন।

রক্তে বাড়তি শর্করা কিংবা খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পানিতে ইসবগুল মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে খাবার খাওয়ার পরে খেলেও ক্ষতি হবে না।

সূত্র : এই সময়

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত