শফিকুর রহমান বললেন

নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকবে না জামায়াত

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪০ এএম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় এলে বিশ্বের সব শান্তিকামী, গণতন্ত্রকামী রাষ্ট্রের সঙ্গে জামায়াতের সুসম্পর্ক থাকবে। প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে প্রতিবেশীর মতোই আচরণ করতে হবে। কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকতে চায় না জামায়াত। গতকাল সোমবার মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্য়ালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবসের নেতৃত্বে ৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

জামায়াত আমির অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের অনেকেই আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে কাজ করছেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের বদলাতে হবে। অন্যথায় তাদের বদলাতে বাধ্য করা হবে।

‘ইইউ গত নির্বাচনে কোনো প্রতিনিধিদল পাঠায়নি। এবার কি তারা কোনো প্রতিনিধিদল পাঠাবে?’ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এবার তারা ২০০ প্রতিনিধি পাঠাবে। তারা জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকা কাভার করবেন।’ দেশের স্বার্থে নির্বাচনের পরে খোলা মনে বসতে চান। তবে এর সঙ্গে আবার শর্ত জুড়ে দিলেন কেন। জানতে চাইলে জামায়াত আমির বলেন, ‘নিঃশর্ত কেন হবে? আরেকজনের দায় জোর করে আমি কেন কাঁধে নেব। আমরা তো দেশকে স্বচ্ছ জবাবদিহিতার দিকে এগিয়ে নিতে চাই।’

নির্বাচনে দেশের গণমাধ্যমকে কোনো দলীয় মাধ্যমের ভূমিকায় না থেকে পক্ষপাতমূলক আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন জামায়াত আমির।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবসের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেন। জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, শিক্ষাবিদ ড. যুবায়ের আহমেদ, উন্নয়ন টিম লিড দেওয়ান আলমগীর এবং জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।

এর আগে গত রবিবার দুপুরে জামায়াত কার্যালয়ে দলটির আমিরের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারি মি. অ্যালবার্ট টি. গম্বিস। তার সঙ্গে ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত মি. মোর্স এইচ ট্যান, নর্থ আমেরিকার মুসলিম উম্মাহর সেক্রেটারি জেনারেল ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট ফার্মের পরিচালক আরমান চৌধুরী ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের ব্যবসায়ী নেতা ফয়সাল আলম।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত