বয়লারের টিউব ফেটে বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুতের উৎপাদন

আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম

দেশের অন্যতম দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিট  বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪ দিন পর আজ রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে আবারও বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের উৎপাদন কার্যক্রম।

এর আগে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের পুরোপুরি বিদ্যুৎ উৎপাদন যান্ত্রিক ত্রুটির কারনে বন্ধ হয়ে যায়। তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে বন্ধ আছে। এদিকে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিট ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। এর আগে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর প্রথম ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। পরে, ১৫ দিন পর উৎপাদনে আসে গত ১৪ জানুয়ারি। 

আজ রবিবার সন্ধ্যা পোনে ৭টায় মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো: আবু বককর সিদ্দিক জানিয়েছেন, রবিবার সকালে প্রথম ইউনিটের বয়লারের পুরো টিউব ফেটে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। প্রায় ১ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার বয়লারটি ঠাণ্ডা হলে এটির মেরামতকাজ শুরু হবে। তবে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির আবার কবে উৎপাদনে ফিরবে তা এই মুর্হুতে সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। এবার উৎপাদনে ফিরতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে। প্রথম ইউনিটটি অনেক পুরনো, প্রতি ৫ বছর পর পর মেরামত করতে হয়। ইতিমধ্যে ২০ বছর হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) পরিচালিত বড়পুকুরিয়া খনির কয়লার উপর নির্ভর করে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন কার্যক্রম। চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হারবিন ইন্টারন্যাশনাল পরিচালিত ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতে কাজ করছে। চীন থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ পৌঁছালে আবার তৃতীয় ইউনিটে উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে। তারপরও আশা করছি, আগামী মার্চে উৎপাদনে ফিরতে পারে। আর দ্বিতীয় ইউনিটির যন্ত্রাংশ দাম বাড়ার অজুহাতে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গরিমসি করছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত