যশোরে জমি-সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে হামলা ও পিটুনিতে দুজন নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চৌগাছা উপজেলার সলুয়া কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের একজন রফিকুল ইসলাম (৪৫) যশোর সদরের চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের জগহাটি গ্রামের তবজেল মল্লিকের ছেলে। অন্যজন আব্দুল আলিম পলাশ (৩৫) একই গ্রামের হজরত আলীর ছেলে। পেশায় তিনি একজন মুদি দোকানদার।
স্থানীয় লোকজন জানান, পলাশ রফিকুল ইসলামকে মাথা ও মুখমণ্ডলে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন। পরে রফিকুলের স্বজনদের মারপিটে নিহত হন পলাশ।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আবুল বাশার জানিয়েছেন, রফিকুল ও পলাশের মধ্যে জমিজমা নিয়ে গত দুই বছর ধরে বিরোধ ছিল। গতকাল রফিকুল ইসলাম বাইসাইকেলযোগে বাড়ি থেকে দোকানে যাচ্ছিলেন। এ সময় চৌগাছা থানাধীন সলুয়া কলেজের সামনে পৌঁছালে পলাশ তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। পলাশ ধারালো দা দিয়ে রফিকুল ইসলামের মাথা ও মুখমণ্ডলে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন। হামলার পর ঘটনাস্থলে রফিকুল ইসলাম লুটিয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক রফিকুল ইসলামের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার করেন। ঢাকা নেওয়ার পথে নড়াইলে তিনি মারা যান। পরে স্বজনরা তাকে যশোর এনে ২৫০ শয্যা হাসপাতালের মর্গে রাখেন।
এদিকে, রফিকুলের ওপর হামলার ঘটনায় তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে হামলাকারী পলাশকে ঘিরে ফেলে। বিক্ষুব্ধ জনতার বেধড়ক পিটুনিতে পলাশ গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে আনেন। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পলাশকে মৃত ঘোষণা করেন।
নরসিংদীতে একজনকে কুপিয়ে হত্যা: নরসিংদীর রায়পুরায় অপু আহমেদ (৩২) নামে জেল পলাতক এক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত সোমবার রাতে উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের একটি স-মিলের ভেতরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত অপু আহমেদ মরজাল ইউনিয়নের পাহাড় মরজাল গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদকসহ ৮ থেকে ৯টি মামলা রয়েছে।
