এলাকার শান্ত পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা চলছে:  রবিন

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:২৮ পিএম

ঢাকা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন বলেছেন, এলাকায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত রয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। তবে সাম্প্রতিক একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই দোষারোপ করা হচ্ছে, যা সেই সৌহার্দ্য নষ্ট করার চেষ্টা হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর ধনিয়া কলেজ অডিটোরিয়ামে নির্বাচনী এলাকা ১৭৭, ঢাকা-৪ (কদমতলী-শ্যামপুর) এর সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ এবং আচরণবিধি প্রতিপালন বিষয়ে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

গতকাল মাগরিবের নামাজের সময় ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগে থাকার সময় একটি ঘটনার কথা শোনার পরপরই ওয়ারী জোনের ডিসি এবং কদমতলী থানার ওসির সঙ্গে কথা বলেন বলে জানান তানভীর আহমেদ রবিন। তিনি বলেন, বিষয়টি বর্তমানে পুলিশের তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

রবিন বলেন, তার কাছে যে তথ্য এসেছে, তাতে জানা গেছে, তার দলের একজন কর্মীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরবর্তী সময় ওই ব্যক্তি অন্য একটি এলাকায় গেলে তার ওপর পেছন থেকে হামলার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে উদ্‌ঘাটিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, এলাকায় অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছেন। সেসব ফুটেজ পর্যালোচনার জন্য তিনি পুলিশকে অনুরোধ করেছেন। একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে সন্ত্রাসীদের কোনো জায়গা থাকতে পারে না। তার ইশতেহারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূল করা হবে।

ঘটনাটিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে রবিন বলেন, বিষয়টি তার কাছে কিছুটা ঘোলাটে মনে হচ্ছে। তবে পুলিশ তদন্ত করছে এবং তিনি নিজেও সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন। তিনি বলেন, গত রাতেই জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদিনের সঙ্গে তার কথা হয়েছে এবং তাকে আশ্বস্ত করা হয়েছে। পুলিশি তদন্তে যদি প্রমাণ পাওয়া যায় যে তার দলের কেউ জড়িত, তাহলে তাদের সঙ্গে সঙ্গে আইনের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

তানভীর আহমেদ রবিন বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই কাউকে দোষারোপ করা হচ্ছে, যা নির্বাচন বানচালের একটি পায়তারা হতে পারে। এলাকায় শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে এবং পারস্পরিক সহাবস্থান বজায় রয়েছে। তবে এ ধরনের বক্তব্য সেই সম্পর্ক নষ্ট করার ঝুঁকি তৈরি করছে।

তিনি আরও বলেন, সৈয়দ জয়নুল আবেদিন তার সঙ্গে আলাপে জানিয়েছেন যে তারা সরাসরি বিএনপিকে দোষারোপ করেননি। তাদের বক্তব্যে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী বা ফ্যাসিস্টদের কেউ এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে। তদন্ত শেষ হওয়ার পর আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত