প্রতীক দেখে নয়, ব্যক্তি সার্বিক অবস্থা দেখে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানা।
আজ শুক্রবার বিকেলে সরাইল উপজেলার জয়ধর কান্দি এলাকায় নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা আরো বলেন, মার্কা ভালো ঠিক আছে। প্রার্থীটাকে ভুইলেন না। মার্কা শুধু ছাপালেই হয় না। যোগ্য প্রার্থীও লাগে। প্রার্থীটাকে দেখেন। প্রার্থীও যোগ্যতা আছে কি-না, সততা আছে কিনা, সাহস আছে কিনা। একা লড়াই করার মতো নেতা কিনা সেটা দেখেন। মার্কা উপর ভর কইরা অনেকেই দুলতে দুলতে এদিক যায় ওদিক যায়। এই দুলুইন্না প্রার্থী দিয়ে কাজ হবে না।
এ সময় রুমিন ফারহানা এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল দশার কথা উল্লেখ করে নির্বাচিত হলে কাজ করে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ভোটের আগের দিন বিকেল থেকে ভোট গণনা পর্যন্ত কেন্দ্রে থাকার জন্য তিনি এলাকার মানুষের প্রতি অনুরোধ জানান।
এদিকে রুমিন ফারহানা সন্ধ্যায় তেলিকান্দি গ্রামে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি বলেন, আমি মহিলা কোটায় এম.পি হতে পারতাম। কিন্তু নির্বাচিত হতে পারলে অনেক কাজ করা সম্ভব হতো না। এজন্যই আমার কষ্ট করা।
তিনি বলেন, আমার দু’টো দোষ আছে। এক হলো, আমি যা বলি আমি তাই করি। এটা বেশি মানুষে বালা পায় না। মানুষ চায় মিষ্টি মিষ্টি কথা। এটা আমি পারি না। আমি যতদূর পারি ততদূর বলি। আর দুই হলো, আমি একটু রাগি মানুষ। রাগি না হলে এদেশে কাম করন যায় না । সেদিন যদি ধমক না দিতাম তাহলে আমার কর্মী গুলারে যাচ্ছা তাই করতো। ওইদিন খালি একটু চেহারা দেহাইছি যে আমার চেহারা কইলাম এমন হয়। কথা বলার সময় তিনি বেশ হাস্যোজ্জল ছিলেন তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন রুমিন ফারহান। জোটের স্বার্থে আসনটি ছেড়ে দিলে এখন এ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হন জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিব। রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে দল তাকে বহিাষ্কার করে।
